
শেষ আপডেট: 6 November 2021 16:28
বালীগঞ্জ প্লেসের কালীপুজোর বিসর্জন এবার ছিল একেবারেই জৌলুসহীন। শুক্রবার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের। শোকের আবহে এদিন নিঃশব্দে মা কালীর প্রতিমা নিয়ে বিসর্জনের পথে যাত্রা করেন এলাকার মানুষ। ছিলেন বালীগঞ্জ প্লেস রেসিডেন্সের সকলেই। একে শোকযাত্রা বলাই হয়তো যুক্তিসংগত। কারণ প্রতিমার সঙ্গে ছিল সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের ছবি ও ব্যানার। তাতে লেখা, ‘তোমার প্রয়াণে আমরা শোকাহত। এই শোকযাত্রার তত্ত্বাবধানে ছিলেন বালীগঞ্জের ৬৮ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরমাতা সুদর্শনা মুখোপাধ্যায়।
ভাইফোঁটার সমস্ত আনন্দও ম্রিয়মাণ সুব্রত বাবুর শোকে। প্রতিবছর যেখানে ধুমধাম করে ফোঁটা নেন রাজ্যের মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর ছেলে সায়নদেব চট্টোপাধ্যায়, সেখানে এবছর তাঁরা ফোঁটাই নিলেন না। মন খারাপ ফিরহাদ হাকিমেরও। তিনিও এবছর ভাইফোঁটা নেননি। সতীর্থের শোকে বিহ্বল হয়ে পড়েছেন তৃণমূলের তাবড় নেতৃত্ব। কোথা থেকে কী হয়ে গেল ভেবেই পাচ্ছেন না তাঁরা কেউ।
হার্টের সমস্যা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তাঁর বুকে স্টেন্ট বসানো হয়েছিল। তবে তাঁর শারীরিক অবস্থা ছিল স্থিতিশীল। কালীপুজোর পরদিনই হাসপাতাল থেকে তাঁর ছুটি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কালীপুজোর রাতে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন মন্ত্রী। মাত্র কয়েকঘন্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যায় সব। এই মৃত্যু তাই মেনে নেওয়া কষ্টের। ভেঙে পড়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি স্পষ্টই বলেছে, এত বড় বিপর্যয় আগে আসেনি।