দ্য ওয়াল ব্যুরো : শনিবার পর্যন্ত ‘কমপ্লিট লকডাউন’ জারি আছে কর্নাটকে। অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা বাদে আর কিছুতে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। কিন্তু এদিনই মুখ্যমন্ত্রীর অফিস থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, রবিবার থেকে আর রাজ্যে পুরোপুরি লকডাউন থাকবে না। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সাধারণ মানুষের স্বার্থে কমপ্লিট লকডাউন রবিবার থেকে তুলে নেওয়া হচ্ছে। আগামীকাল থেকে শুরু হবে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।”
স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্যে জানা যায়, কর্নাটকে এখনও পর্যন্ত ২৭৮১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে সেরে উঠেছেন ৮৯৪ জন। মারা গিয়েছেন ৪৮ জন। যে সব রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যথেষ্ট বেশি, সেখান থেকে যাঁরা কর্নাটকে ফিরছেন, তাঁদের বেসরকারি ল্যাবে টেস্ট করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে মাথাপিছু খরচ লাগছে ৬৫০ টাকা। পুলিং মেথড ব্যবহার করে তাঁদের টেস্ট করা হচ্ছে।
কর্নাটক সরকার স্বীকার করেছে, ভিন রাজ্য থেকে যে হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিক ফিরেছেন, তাঁদের কোয়ারান্টাইনে রাখতে রীতিমতো সমস্যা হচ্ছে। সরকার নিয়ম করেছে, যে সব রাজ্যে কোভিড ১৯ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি, সেখান থেকে কেউ এলে তাঁকে সরকারি কোয়ারান্টাইন সেন্টারে থাকতে হবে। অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রকের কাছে কর্নাটক সরকার আর্জি জানিয়েছে, মহারাষ্ট্র, গুজরাত, তামিলনাড়ু, রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশের মতো যে সব রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যথেষ্ট বেশি, সেখান থেকে যেন বিমানে বেশি যাত্রী না আনা হয়।
করোনা অতিমহামারীর জেরে কর্নাটকে গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচন বন্ধ রেখেছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যে পঞ্চায়েতের সংখ্যা ৬০২৫। তার মধ্যে ৫৮০০ টির মেয়াদ শেষ হচ্ছে জুন থেকে অগাস্টের মধ্যে। সেখানে নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা করা হয়নি। গত ২২ মে থেকে কর্নাটকে কয়েকটি জেলার মধ্যে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।
শুক্রবার ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যাবৃদ্ধির রেকর্ড হয়েছে। এদিন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৭৯৬৪ জন। ভারতে শনিবার সকাল আটটা পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ৭৩ হাজার ৭৬৩।