দ্য ওয়াল ব্যুরো : কংগ্রেসের ন্যায় প্রকল্পের বিরুদ্ধে সমালোচনা করেছেন কেন? এই বলে নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান রাজীব কুমারের কৈফিয়ৎ চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তিনি জবাবও দিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে সন্তুষ্ট হননি নির্বাচন কমিশনের কর্তারা। তাঁরা রাজীব কুমারকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আপনি আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গ করেছেন। আশা করি, আপনি ভবিষ্যতে সংযত হয়ে কথা বলবেন।
কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী ঘোষণা করেন, ক্ষমতায় এলে গরিবদের বিরুদ্ধে ন্যূনতম আয় নিশ্চয়তা যোজনা কার্যকর করবেন। দেশের সবচেয়ে গরিব ২০ শতাংশ লোক যাতে বছরে ৭২ হাজার টাকা আয় করতে পারেন, তার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।
রাহুল দাবি করেন, এই প্রকল্পে ২৫ কোটি মানুষ উপকৃত হবেন। ন্যূনতম আয় নিশ্চয়তা প্রকল্পের মাধ্যমে দারিদ্রের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করা হবে।
কংগ্রেস সভাপতি জোর গলায় বলেন, মোদী সরকার ধনীদের টাকা দিয়েছে। আমরা গরিবদের টাকা দেব।
প্রস্তাবিত প্রকল্পের বিরুদ্ধে সরব হন রাজীব কুমার। তিনি টুইট করেন, অর্থনীতি, আর্থিক শৃঙ্খলা ও বাস্তবায়নের সম্ভাবনা, তিনটি ক্ষেত্রেই ওই প্রকল্প ফেল করেছে।
পরে আর একটি টুইট করে তিনি বলেন, কংগ্রেস আগেও ভোটারদের চাঁদ ধরে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ওই প্রকল্প কর্মসংস্থানের বিরোধী। তা কখনই বাস্তবায়িত হবে না।
নির্বাচন কমিশন যখন তাঁর কৈফিয়ৎ চায়, তখন তিনি জবাব দেন, নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে নয়, একজন অর্থনীতিবিদ হিসাবে তিনি কংগ্রেসের ন্যায় প্রকল্প নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছিলেন।
নির্বাচন কমিশন জানায়, রাজীব কুমারের বক্তব্য সন্তোষজনক নয়। একটি চিঠিতে তারা নীতি আয়োগের ওই কর্তাকে বলে, সরকারি কর্মীদের নিরপেক্ষ হওয়া উচিত। প্রকাশ্যে তাঁরা যা বলেন, সে বিষয়েও সতর্ক থাকা উচিত। এক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, আপনি যথোচিত সতর্কতা অবলম্বন করেননি।
এরপরে চিঠিতে লেখা হয়েছে, আপনাকে স্পষ্ট জানিয়ে দিতে চাই, আমরা অসন্তুষ্ট হয়েছি।