শেষ আপডেট: 30 January 2020 15:32
তবে মুকেশকে ফাঁসি দেওয়া যেতে পারে, যেহেতু তার হাতে রেহাই পাওয়ার মতো আর কোনও আইনি অস্ত্র অবশিষ্ট নেই। তিহার জেল কর্তৃপক্ষ ভাবছে আগে তার ফাঁসির আদেশ কার্যকর করা নিয়ে। যদিও এর ফলে বাকিদের উপরে বিরূপ মানসিক প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে।
প্রিজন ম্যানুয়াল অনুযায়ী, একই মামলায় একসঙ্গে একজনের বেশি ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়ার পরে তাদের মধ্যে কোনও একজন যদি কোনও আবেদন করে তাহলে বাকিদেরও দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখতে হবে। তাই কোনও একজন যখনই কোনও আবেদন করছে তখন বাকিদের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ কার্যকর করা যাচ্ছে না। তিহার জেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, আবেদন ও ক্ষমাভিক্ষার আর্জি এক জিনিস নয়। আবেদন বলতে সুপ্রিম কোর্টে রিভিউ পিটিশনকে বোঝানো হয়।
২০১৮ সালের জুলাই মাসে সুপ্রিম কোর্টে বিনয়, পবন ও মুকেশের রিভিউ পিটিশন বাতিল করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। ২০১৯ সালে রিভিউ পিটিশন দাখিল করে অক্ষয়, তবে সঙ্গে সঙ্গেই তা বাতিল করে দেয় সর্বোচ্চ আদালত।
এক জেল আধিকারিক বলেছেন, একজনের ক্ষেত্রে যদি সুপ্রিম কোর্ট পিটিশন বাতিল করে দেয় তা হলে ধরে নেওয়া যেতে পারে যে সকলের ক্ষেত্রেই তা বাতিল হয়ে গেছে। এক্ষেত্রে এক এক জন করেও ফাঁসির আদেশ কার্যকর করা যেতে পারে।
এখন তিহার জেল কর্তৃপক্ষ বিবেচনা করছে মুকেশ, পবন ও অক্ষয়কে (যদি ক্ষমাভিক্ষার আবেদন না করে) আগে ফাঁসি দেওয়া হবে নাকি বিনয়ের ব্যাপারে সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করবে। এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। এক জনকে আগে ফাঁসি দেওয়া হলে বাকিদের উপরে কী মানসিক প্রভাব পড়তে পারে সে কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে।
তবে এখন তিহার জেল কর্তৃপক্ষ মুকেশকে ফাঁসি দিতেই পারে, এক্ষেত্রে তাদের সামনে আইনি কোনও বাধা নেই। এক দিনের মধ্যেই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তিহাড় জেল কর্তৃপক্ষকে।