
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 27 April 2025 16:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাশ্মীরে জঙ্গি হামলায় (Pahelgam Attack) নিহত বিতান অধিকারীর (Bitan Adhikary) বৈষ্ণবঘাটার বাড়িতে গেল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। মূলত বিতান অধিকারীর স্ত্রীর বয়ান রেকর্ড এবং হামলার সময় ঠিক কী ঘটেছিল সেই সকল বিষয়ে জানতেই তদন্তকারীরা তাঁর বাড়িতে গিয়েছেন।
পহেলগামে নৃশংস জঙ্গি হামলার ঘটনার তদন্তে শনিবারই পশ্চিমবঙ্গে এসেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। ওই দিন দুপুরে এনআইএ-র তিন আধিকারিকারিক যান হামলায় নিহত বেহালার সখেরবাজারের বাসিন্দা সমীর গুহর বাড়িতে। প্রায় চার ঘণ্টা তাঁর বাড়িতে ছিলেন আধিকারিকারেরা। কথা বলেন নিহত সমীরের স্ত্রী এবং কন্যার সঙ্গে! তখনই জানা গিয়েছিল, পরে নিহত বিতান, মণীশরঞ্জনদেরও বাড়িতে যাবেন।
মঙ্গলবার ঠিক কী ঘটেছিল? কত জন জঙ্গি ছিল? কী কী কথাবার্তা বলেছে তারা? সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। তারই সূত্র ধরে শনি-রবিতে সমীরের বেহালার বাড়ি ও বিতানের বৈষ্ণবঘাটার বাড়িতে যান এনআইএ আধিকারিকেরা।
আগামিকাল সোমবার তাঁরা পুরুলিয়ার ঝালদার বাসিন্দা মণীশরঞ্জনের বাড়িতে যেতে পারেন বলে খবর। মণীশও স্ত্রী এবং দুই পুত্র-কন্যাকে নিয়ে কাশ্মীর ভ্রমণে গিয়েছিলেন। কিন্তু জঙ্গিদের গুলিতে খুন হন তিনি।
বিতানের স্ত্রী সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছিলেন, প্রথমে বুঝে উঠতে পারেননি কী হচ্ছে। যারা এসেছে নানা প্রশ্ন করছে, তারা কারা। কিছু বুঝে ওঠার আগেই গুলি চালানো হয়। তিনি বলেন, "প্রথমে মনে হয়েছিল আমরা বেঁচে গেছি। পরিবারের সকলে বেঁচে গেছি। কিন্তু ততক্ষণে আমার স্বামী আর নেই। ও মাথা নুইয়ে পড়ে ছিল। প্রথমে ভেবেছিলাম অজ্ঞান হয়ে গেছে। ওঠানো যাবে। কিন্তু...''
গত ১৬ এপ্রিল বিতান এবং সন্তানকে নিয়ে জম্মু-কাশ্মীর গেছিলেন তাঁরা। ফেরার কথা ছিল আজ, ২৪ এপ্রিল। কিন্তু তার আগেই ২২ এপ্রিল সকালে পহেলগামের বাইসরান উপত্যকায় ঘটে যায় জঙ্গি হামলা। সেসময় পরিবার নিয়ে সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিতান। গুলির আঘাতে গুরুতর জখম হন তিনি। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি।