
শেষ আপডেট: 5 September 2019 18:41
জানা গিয়েছে, কাশ্মীরের উপর থেকে স্পেশ্যাল স্ট্যাটাস তুলে নেওয়ার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মহলে প্রতিবাদকে আরও বাড়ানোর জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইমরান খান। তাঁরা কাশ্মীরের মানুষের সামনে তুলে ধরতে চান, যে দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতি করেও পাকিস্তান তাঁদের পাশে রয়েছে। আর তাই ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর দিনকেই ডিফেন্স ডে বা কাশ্মীর সলিডারিটি ডে হিসেবে পালন করছে তারা।
তবে এই বিষয়কে গুরুত্ব দিতে নারাজ নয়াদিল্লির কূটনৈতিক মহল। তাঁদের দাবি, আন্তর্জাতিক মহলে বারবার মুখ পুড়েছে ইমরান খান সরকারের। তাই এ বার তারা চেষ্টা করছে কাশ্মীরের মানুষের মধ্যে ভারত বিরোধী ভাবনা উস্কে দেওয়ার। এমনিতেই শুক্রবার মুসলিম জনগণের কাছে পবিত্র দিন। তাই বারবার এই দিনেই বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করছে পাকিস্তান। কিন্তু তাতে বিশেষ লাভ হবে না বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তাঁদের দাবি, কাশ্মীরের মানুষ জানেন, ভারত সরকার তাঁদের উন্নয়ন চান। তাই কখনওই তাঁরা পাকিস্তানের প্ররোচনায় পা দেবেন না। পাকিস্তানের এই কাশ্মীর বিরোধিতার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন, আমেরিকার প্রাক্তন প্রতিরক্ষা সচিব জিম মাটিসও। আগের দিনই তিনি বলেছিলেন, পাকিস্তানের পরমাণু নীতি গোটা বিশ্বের কাছেই ভয়ঙ্কর। এ দিন তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানের জনগণের দুর্ভাগ্য, যে তাঁরা এমন দেশে জন্মেছেন, যেখানে কোনও নেতা তাঁদের উন্নতির কথা ভেবে দেখেন না। যখন দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিপর্যস্ত, তখন সরকার সে দিকে লক্ষ্য না রেখে রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার চেষ্টা করছে।