দ্য ওয়াল ব্যুরো: দু’বছরের জেল হলো কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের অন্যতম মালিক (co-owner) নেস ওয়াদিয়ার। নিয়ম বহির্ভূত ভাবে নিজের কাছে ড্রাগ রেখেছিলেন নেস। এই অপরাধেই তাঁকে ২ বছর জেল হেফাজতের সাজা শুনিয়েছে জাপানের আদালত।
ছুটি কাটাতে জাপানে গিয়েছিলেন ভারতের বিখ্যাত শিল্পপতি নুসলি ওয়াদিয়ার ছেলে নেস ওয়াদিয়া। কিন্তু সেখানেই ড্রাগ সমেত পুলিশের হাতে পাকড়াও হন ২৮৩ বছরের পুরনো ওয়াদিয়া গ্রুপের উত্তরসূরী। উত্তর জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের নিউ চিতোস বিমানবন্দর থেকে চলতি বছর ২০ মার্চ তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা জানায়, নেস ওয়াদিয়ার প্যান্টের পকেট থেকে উদ্ধার হয় ২৫ গ্রাম ড্রাগ (ক্যানাবিস রেজিন)। পুলিশের দাবি, জেরায় নেস স্বীকার করেন যে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্যই এই ড্রাগ নিজের কাছে রেখেছিলেন তিনি। এরপর দীর্ঘদিনের জন্য তাঁকে আটকে রাখে জাপান পুলিশ।
২০২০ সালে অলিম্পিকস অনুষ্ঠিত হবে জাপানে। আর সেই জন্যই ‘টোকিও অলিম্পিকস’-এর আগে নিজেদের ‘ড্রাগ নীতি’ নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে জাপান সরকার। ২০ মার্চ গ্রেফতারির পর দীর্ঘদিন বন্দি রাখা হয় নেস ওয়াদিয়াকে। অবশেষে তাঁর দু’বছরের জেলের সাজা ঘোষণা করেছেন জাপানের সাপ্পোরো ডিসট্রিক্ট কোর্ট। প্রসঙ্গত, বিজনেস টাইকুন নেস ওয়াদিয়ার প্রভাব প্রতিপত্তি বিশাল। ব্যবসায়িক পরিধি ছাড়াও ব্যক্তিগত সম্পর্কেও তিনি অনন্য। কারণ সম্পর্কে তিনি মহম্মদ আলি জিন্নার নাতি হন। তবে এ যাত্রায় তাঁর কোনও প্রভাব-প্রতিপত্তিই খাটেনি। কড়া শাস্তির মুখে পড়েছেন নেস।
বরাবরই খবরের শিরোনামে থাকেন নেস ওয়াদিয়া। বলি অভিনেত্রী প্রীতি জিন্টার সঙ্গেও একসময় ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল তাঁর। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিক্ততা আসে সেই সম্পর্কে। এমনকী ২০১৪ সালে তাঁর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগও এনেছিলেন প্রীতি। মামলা রুজু হয়ে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ায় আদালতে চত্বরে। তবে শেষ পর্যন্ত আদালত অবশ্য কোর্টরুমের বাইরেই আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয়।