দ্য ওয়াল ব্যুরো: ম্যানিকিওর করাতে বিউটি পার্লারে গিয়েছিলেন এক কলেজ পড়ুয়া। কাজ প্রায় শেষও হয়ে এসেছিল তাঁর। কিন্তু আচমকাই পাশে তাকিয়ে যা দেখলেন তাতে শিউরে ওঠেন ওই ছাত্রী।
ওই পড়ুয়া জানিয়েছেন, আচমকাই মেঝেতে বসে একটি হরিণকে টুকরো করে কাটতে শুরু করেন ওই পার্লারের এক কর্মী। বিউটি পার্লারের ভিতর তখন ভর্তি কাস্টমার। সবার সামনেই অবলীলায় হরিণের মাংস কাটতে শুরু করেন পার্লারের ওই মহিলাকর্মী। জানা গিয়েছে, এমন উদ্ভট ঘটনা ঘটেছে নির্থ ক্যারোলিনার একটি ডায়ামন্ড নেল সেলনে। ছবি তুলে নেট দুনিয়ায় গোটা ঘটনাটি ভাইরাল করেছে মরগ্যান টেলর নামের এক ছাত্রী। নর্থ ক্যারোলিনার হাই পয়েন্ট ইউনিভার্সিটির ছাত্রী তিনি।
মরগ্যানের কথায়, "আমার নখ পরিচর্যার কাজ প্রায় শেষ হয়ে এসেছিল। ফিনিশিং টাচ চলছিল। তাই আমি বসেছিলাম। হঠাৎ পাশে তাকিয়ে দেখিয়ে ফ্রিজার থেকে কী যেন একটা বের করছেন পার্লারের এক কর্মী। তারপর আচমকাই পার্লারের মেঝেতে ওই মরা হরিণটা শুইয়ে সেটাকে টুকরো করে কাটতে শুরু করে দেন ওই মহিলা।" মরগ্যান আরও জানিয়েছেন, ওই মহিলার হাতে কোনও গ্লাভসও পরা ছিল না। ভীষণ অস্বাস্থ্যকর ভাবে গোটা কাজটা করছিলেন তিনি। শুধু মরগ্যান নন, এমন দৃশ্য দেখে আঁতকে ওঠেন বাকি কাস্টমাররাও। ঘেন্নায় গা গুলিয়ে ওঠে সকলের।
সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবি ভাইরাল হতেই শুরু হয়েছে শোরগোল। ওই বিউটি পার্লারে কতটা হাইজিন মেনে চলা হয় তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। কারও মতে, "ওই মহিলাকর্মী গ্লাভস ছাড়াই মাংস কাটছিলেন। কী গ্যারান্টি আছে যে উনি হাত ধুয়ে তারপর কোনও ক্রেতাকে পরিষেবা দেবেন!" নেটিজেনদের একাংশের মতে, "নিশ্চিত এই কাজ বেআইনি। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে অন্য কিছু। অবিলম্বে এই পার্লারকে বয়কট করা উচিত।"
ইতিমধ্যেই হাই পয়েন্ট ইউনিভার্সিটির ছাত্রী মরগ্যান টেলর নর্থ ক্যারোলিনা বোর্ড অফ কসমেটিক আর্টের দফতরে এই বিষয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন। গোটা ব্যাপারটার তদন্ত করে দেখবে এই সংস্থা। তারপরেই হয়তো প্রকাশ্যে আসবে ওই মহিলা বিউটি পার্লার কর্মীর এমন অদ্ভুত আচরণের আসল কারণ।