দ্য ওয়াল ব্যুরো: রবিবার ধারাবাহিক বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে ভারতের প্রতিবেশী দেশ শ্রীলঙ্কা। রক্তাক্ত ইস্টার সানডে’র আতঙ্কের রেশ কাটার আগেই সোমবার ফের বিস্ফোরণ হয়েছে কলম্বোতে।
এর পরেই ভারতীয় উপকূলের নিরাপত্তা আরও আঁটোসাঁটো করা হয়েছে। শ্রীলঙ্কার মতো ভারতেও যাতে কোনওরকম নাশকতার ঘটনা না ঘটে সে জন্য উপকূলের নিরাপত্তাবাহিনীকে সতর্ক করেছে ভারতীয় নৌসেনা। কলম্বো বিস্ফোরণের সঙ্গে যারা জড়িত তারা যাতে কোনওভাবেই জলপথে পালিয়ে এসে ভারতে প্রবেশ করতে না পারে সেই জন্যই সমুদ্র সীমানা বরাবর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
রবিবার কলম্বোর তিনটি পাঁচতারা হোটেল এবং তিনটি গির্জায় ৬ ঘণ্টার মধ্যে ৮ বার বিস্ফোরণ হয়। এখনও পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ২৯০ জন। আহত ৫০০-র বেশি। কোনও জঙ্গি সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে অনুমান করা হচ্ছে, শ্রীলঙ্কার স্থানীয় ইসলামিক জঙ্গি সংগঠন ন্যাশনাল তৌহিত জামাত রয়েছে এই ঘটনার পিছনে। যদিও সরকারি ভাবে এ কথা ঘোষণা করা হয়নি। কিন্তু তৌহিত জামাতের নাম সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে ভারত। সতর্ক করা হয়েছে ভারতের উপকূলবর্তী নিরাপত্তাবাহিনীকে।
এ দিকে শ্রীলঙ্কাতে সোমবারও একটি বিস্ফোরণ হয়েছে সেন্ট অ্যান্টনিস গির্জার সামনে। বোমা নিষ্ক্রিয় করতে গিয়েই এই বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে খবর। যদিও এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যেই শ্রীলঙ্কায় জারি হয়েছে জরুরী অবস্থা। পাশাপাশি সোমবার মধ্যরাত থেকে পরের দিন ভোর ৪টে পর্যন্ত কার্ফু জারি থাকবে গোটা শ্রীলঙ্কায়। এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি সিরিসেনা। এখনও পর্যন্ত রবিবারের বিস্ফোরণের ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে ২৪ জনকে গ্রেফতার করেছে কলম্বো পুলিশ।