দ্য ওয়াল ব্যুরো: দুবাইয়ের যুবরাজ তিনি। যাতায়াতের জন্য রয়েছে বিলাসবহুল মার্সিডিজ। আর তার উপরেই নাকি বাসা বেঁধেছে দুটি পাখি। ঠিক উইন্ডশিল্ডের সামনেই। অন্য কেউ হলে হয়তো পাখিকে তাড়িয়ে গাড়িতে উঠতেন। কিন্তু পশুপ্রেমী বলে খানিক সুনাম রয়েছে দুবাইয়ের যুবরাজ শেখ হামদান বিন মহম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের। তাই তিনি চাপেননি সেই গাড়িতে। এমনকি কাউকে সেই গাড়ির ধারেকাছে যেতেই নিষেধ করেছেন যুবরাজ।
খালিজ টাইমস সূত্রে খবর, সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন শেখ হামদান। সেখানে দেখা যাচ্ছে দুবাইয়ে তাঁর বাড়িতে তাঁর মার্সিডিজ এএমজি জি৬৩ এসইউভিটি লাল ও সাদা রংয়ের টেপ দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। তার মধ্যে গাড়ির বনেটের উপর উইন্ডশিল্ডের কাছে দেখা যাচ্ছে দুটি পাখি বাসা বেঁধেছে। এই লাল ও সাদা টেপ দেওয়ার কারণ, যাতে গাড়ির কাছে কেউ যেতে না পারে। নিজের কর্মচারীদেরও নাকি সেই গাড়ি থেকে দুরে থাকার হুকুম দিয়েছেন যুবরাজ।
পশুপ্রেমী হিসেবে যথেষ্ঠ সুনাম রয়েছে শেখ হামদানের। ইনস্টাগ্রামে তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা ১ কোটি। বুধবার সেখানেই এই ভিডিওটি শেয়ার করেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে অবশ্য তাঁকে সবাই ফাজ্জা নামেই চেনে। নিজের ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে গাড়ির উপরে থাকা পাখিটি ডিম পেড়েছে। সেখান থেকে বাচ্চাও হয়েছে। মার্সিডিজের উপর বাচ্চাদের যত্ন করছে মা। ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “কখনও জীবনে খুব ছোট জিনিসও খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়।”
এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৫ লাখের বেশি মানুষ এই ভিডিও দেখেছেন। সবাই যুবরাজের প্রশংসা করেছেন। কেউ বলেছেন, ‘এই ঘটনা খুবই সুন্দর। মন ছুঁয়ে গেল।’ কেউ আবার বলেছেন, ‘আমি আপনার কাজের প্রশংসা না করে পারছি না।’ অনেকে আবার মজা করে পাখিটির ভাগ্যের কথা তুলে ধরেছেন। তাঁদের যুক্তি পাখিটির ভাগ্য দেখে হিংসে হচ্ছে তাঁদের।