দ্য ওয়াল ব্যুরো: আলো না জ্বালিয়েই বাথরুমে গিয়েছিলেন হেলেন রিচার্ডস। কিন্তু তারপরে যা হলো তাতে হলফ করে বলা যায়, জীবনে আর কোনওদিন আলো না জ্বালিয়ে বাথরুমে যাবেন না অস্ট্রেলিয়ার বাসিন্দা বছর ৫৯-এর হেলেন।
কিন্তু কী হয়েছিল হেলেনের সঙ্গে?
হেলেন জানিয়েছেন, কমোডে বসার খানিক পরেই কিছু একটা কামড়ায় তাঁকে। চমকে ওঠেন তিনি। তড়িঘড়ি উঠে দাঁড়িয়ে দেখেন কালো মতো কী যেন একটা কিলবিল করছে কমোডে। কম আলোয় ভালো করে ঠাহর করতে পারেননি। তাই ছুটে গিয়ে আলো জ্বালান বাথরুমের। তারপরেই কার্যত ভিরমি খাওয়া জোগাড় হয় হেলেন রিচার্ডসের। এ যে আস্ত একটা কার্পেট পাইথন। দিব্যি গুটিসুটি মেরে কুণ্ডলী পাকিয়ে রয়েছে কমোডের ভিতর।
খানিক ধাতস্ত হতেই হেলেন খবর দেন ব্রিসবেনের সাপ ধরার কর্মীদের। তারাই এসে উদ্ধার করে প্রায় ৫ ফুট লম্বা ওই পাইথনটিকে।
হেলেন জানিয়েছেন, আনমনেই আলো না জ্বেলে সে দিন বাথরুমে ঢুকেছিলেন তিনি। কমোডের দিকে না তাকিয়েই বে-খেয়ালে বসে পড়েছিলেন। তারপরেই সাপের কামড়ে সম্বিত ফেরে তাঁর। সাপ ধরতে আসা কর্মীদের মধ্যে ছিলেন জেসমিন নামের এক মহিলা। তিনি জানিয়েছেন, কোনও কারণে সাপবাবাজির কমোড থেকে বেরনোর পছন্দের পথটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আর তাতে ভয় পেয়ে লাফিয়ে ওঠে সাপটি। হেলেনের উপস্থিতি টের পেয়ে সম্ভবত আত্মরক্ষার্থেই কামড় বসায় সাপটি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে গোটা ঘটনার কথা। দেখা মিলেছে ৫ ফুট লম্বা কার্পেট পাইথনটিরও। পুরো ঘটনা শোনার পর হেলেনের পাশাপাশি আতঙ্কে ভুগছেন আরও অনেকেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ কেউ লিখেছেন, "আর কোনওদিন আলো না জ্বালিয়ে বাথরুমে যাবো না। পুরোটাই রাতের দুঃস্বপ্নের মতো।"
তবে ব্রিসবেনে নাকি এমন ঘটনা নতুন নয়। মাঝে মাঝেই বিভিন্ন বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় কার্পেট পাইথন। হেলেনের ঘটনার হপ্তা দু'য়েক আগেই ব্রিসবেনের আর একটি পরিবারও তাঁদের বাড়ির টয়েলেটে একটি কার্পেট পাইথন দেখতে পেয়েছিলেন।