Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

নেপালের কমিউনিস্ট পার্টিতে ‘ভারতপন্থীরা’ এক জোট, স্থগিত হয়ে গেল বাজেট অধিবেশন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গোটা দলের ক্ষোভের মুখে পড়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী তথা সেখানকার কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি কে পি শর্মা ওলি। ভারত নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের জেরে নেপালের সংযুক্ত কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী)-র স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে প্রাক্তন প্রধান

নেপালের কমিউনিস্ট পার্টিতে ‘ভারতপন্থীরা’ এক জোট, স্থগিত হয়ে গেল বাজেট অধিবেশন

শেষ আপডেট: 2 July 2020 13:46

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গোটা দলের ক্ষোভের মুখে পড়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী তথা সেখানকার কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি কে পি শর্মা ওলি। ভারত নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের জেরে নেপালের সংযুক্ত কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী)-র স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহাল তথা প্রচণ্ড-সহ পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন। তার জেরেই নেপালের বাজেট অধিবেশন স্থগিত করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ওলি। বৃহস্পতিবার বালুওয়াটারে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে ক্যাবিনেট বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, বাজেট অধিবেশন বাতিল করা হচ্ছে না। তবে চলতি মাসে যে অধিবেশন পূর্ব নির্ধারিত ছিল, তা আপাতত স্থগিত। রবিবার কে পি ওলি মন্তব্য করেছিলেন, তাঁর সরকার নেপালের নতুন মানচিত্র প্রকাশ করার পর থেকেই তাঁকে সরানোর তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে। দূতাবাস থেকে শুরু করে হোটেল, তাঁকে ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আর সেই ষড়যন্ত্রে নয়াদিল্লি যেমন হাওয়া দিচ্ছে তেমন কাটমাণ্ডুতে বসে থাকা তাঁর দলের অনেক নেতাও যুক্ত রয়েছেন। এই মন্তব্য নিয়েই নেপালের কমিউনিস্ট পার্টিতে তোলপাড় পড়ে যায়। স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে প্রচণ্ড বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যে মন্তব্য করেছেন যে ভারত তাঁকে সরানোর জন্য ষড়যন্ত্র করছে, তা রাজনীতিগত ও কূটনৈতিক কোনও দিক দিয়েই ঠিক নয়। প্রধানমন্ত্রীর এই ধরনের মন্তব্য প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খারাপ করতে পারে। তাই তাঁর উচিত পদত্যাগ করা।” শুধু প্রচণ্ড নন, মাধব কুমার নেপাল, ঝালানাথ খানাল, ভাইস চেয়ারম্যান বামদেব গৌতম, মুখপাত্র নারায়ণকাজি শ্রেষ্ঠার মতো দলের প্রথম সারির নেতারাও দলের শীর্ষ কমিটির বৈঠকে দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী যে মন্তব্য করেছেন তার প্রমাণ দেখাতে হবে। যদি তা দেখাতে না পারেন তাহলে পদত্যাগ করতে হবে। সন্দেহ নেই, নেপালের কমিউনিস্ট পার্টিতে ভারত-পন্থী নেতারা আগেও ছিলেন এখনও রয়েছেন। এর পিছনে রয়েছে লম্বা ইতিহাস। নেপালের আরএক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বাবুরাম ভট্টরাই ছিলেন দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। অনেকে বলেন, বাবুরামের দল ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য দায়ী ওলি গোষ্ঠী। তাঁরাই কলকাঠি নেড়েছিলেন। নেপালের দীর্ঘ গেরিলা যুদ্ধের নেতা ছিলেন বাবুরাম এবং প্রচণ্ড। দু’জনের বন্ধুত্বের কথাও সর্বজনবিদিত। অস্ত্রের রাজনীতি  ছেড়ে যখন সংসদীয় রাজনীতিতে ঢুকছেন সেই সময়ে বাবুরাম এবং প্রচণ্ড যৌথ ভাবে একটি দলিল লিখেছিলেন। যার শিরোনাম ছিল, ‘সন্ত্রাসের জনযুদ্ধ বনাম গণতন্ত্রের লংমার্চ।’ শোনা যায় বাবুরামদের সেই দলিল লিখতে সাহায্য করেছিলেন ভারতের বেশ কয়েকজন কমিউনিস্ট নেতা। বেশ কয়েক বছর পর নেপালের কমিউনিস্ট পার্টিতে আবার ভারত পন্থী হিসেবে পরিচিত প্রচণ্ডদের পাল্লা ভারী হয়েছে। যে কারণে কেপি শর্মা ওলির গদি টলমল করতে শুরু করেছে।

```