দ্য ওয়াল ব্যুরো: তুরস্কের বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। আহত হয়েছেন ১৭৯ জন। বুধবার ইস্তানবুল বিমানবন্দরে রানওয়েতে অবতরণের সময়ে তিন টুকরো হয়ে ভেঙে পড়ে যাত্রী বোঝাই বিশাল বিমান। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছিল কেউ মারা যাননি। আহতদের উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। তবে পরে জানা গিয়েছে, মৃত্যু হয়েছে তুরস্কের তিন নাগরিকের। গুরুতর ভাবে আহত হয়েছেন বাকিরা। এই বিমানে মোট যাত্রী ছিলেন ১৭৭ জন। এছাড়াও ছিলেন ৬ জন ক্রু মেম্বার। যাত্রীদের মধ্যে ১২ জন শিশু ছিল বলেও জানা গিয়েছিল।
বুধবার খারাপ আবহাওয়া ছিল ইস্তানবুলে। তুমুল বৃষ্টির সঙ্গে ছিল ঝোড়ো হাওয়ার দাপট। অবতরণের সময় আগুন ধরে যায় বিমানে। অনুমান ঝোড়ো হাওয়ার সংঘর্ষেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। রানওয়েতেই আছড়ে পড়ে যাত্রিবাহী বিমান। ধাক্কা খেয়ে ছিটকে যায় বেশ খানিকটা দূরে। উদ্ধারকাজ শুরু হয় প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই। কোনও কোনও যাত্রী নিজেরাই বেরিয়ে আসতে পেরেছিলেন প্লেনের ধ্বংসাবশেষ থেকে। বাকিরা আটকে পড়ে। আগুনে ঝলসে যায় প্লেনের ভিতর এবং বাইরের অনেকটা অংশ।
দুর্ঘটনাগ্রস্থ বোয়িং ৭৩৭ বিমানটির তত্ত্ববধানে ছিল তুরস্কের পেগাসাস এয়ারলাইন্স। কম খরচের এই এয়ারলাইন্সের বিমান বুধবার ইস্তানবুলের সাবিহা গোকন বিমানবন্দর থেকে ইজমিরের বন্দর শহর এইগানের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। ইস্তানবুলের গভর্নর আলি ইয়েরলিকায়া জানিয়েছেন, রানওয়ের উপর প্রায় ৬০ মিটার ছিটকে গিয়েছিল ওই বিমান। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ। কীভাবে এই বোয়িং ভেঙে পড়ল তা জানার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। এখনও বেশ কয়েকজন আহতের চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে। জানা গিয়েছে, একজন তুরস্কের নাগরিক এবং এক দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকের চোট গুরুতর।