নস্যির মতো নাক দিয়ে টানা যাবে, করোনার নতুন টিকা আসছে বাংলাদেশে
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশে এমন এক কোভিড ভ্যাকসিন আসতে চলেছে যা আর কিছুদিনের মধ্যেই সাড়া ফেলে দেবে বিশ্বে। সূঁচ না ফুটিয়ে যাতে ভ্যাকসিনের ডোজ দেওয়া যায়, এখন সে চেষ্টাই করছেন গবেষকরা। বাংলাদেশে যে টিকা আসছে সেটি একপ্রকার ন্যাজাল ভ্যাকসিন, তব
শেষ আপডেট: 23 August 2021 08:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশে এমন এক কোভিড ভ্যাকসিন আসতে চলেছে যা আর কিছুদিনের মধ্যেই সাড়া ফেলে দেবে বিশ্বে। সূঁচ না ফুটিয়ে যাতে ভ্যাকসিনের ডোজ দেওয়া যায়, এখন সে চেষ্টাই করছেন গবেষকরা। বাংলাদেশে যে টিকা আসছে সেটি একপ্রকার ন্যাজাল ভ্যাকসিন, তবে কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। এই টিকা নাকি নাক দিয়ে টানা যাবে, অনেকটা নস্যির মতো। আপাতত ট্রায়াল শুরু হবে বাংলাদেশে। সরকারি অনুমোদন পেলে খুব দ্রুত টিকা চলে আসবে বাজারে।
ন্যাজাল এই ভ্যাকসিন বানিয়েছে সুইডেনের ক্যারোলিঙ্কসা ইনস্টিটিউট। আইএসআর ইমিউন সিস্টেম রেগুলেশনের ল্যাবরেটরিতে বানানো ভ্যাকসিনের প্রি-ক্লিনিকাল ট্রায়ালে সাফল্য মিলেছে। হিউম্যান ট্রায়াল বা মানুষের শরীরে প্রয়োগ শুরু হবে আর কিছুদিনের মধ্যেই। সুইডিশ বিজ্ঞানীদের সঙ্গে এই ভ্যাকসিনের ফর্মুলা বানিয়েছেন বাংলাদেশের তিন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী—অধ্যাপক ডক্টর এবিএম আবদুল্লাহ, বাংলাদেশ সোসাইটি জেনারেলের সচিব ডক্টর আহমেদুল কবির এবং ডক্টর আরিফুর রহমান।

গবেষকরা বলছেন, সার্স-কভ-২ ভাইরাসের প্রোটিন থেকে তৈরি এই ভ্যাকসিন। তবে এটি পাউডারের মতো। নাক দিয়ে নেওয়া যাবে। শরীরে সূঁচ ফোটানোর প্রয়োজন হবে না। গবেষকদের মতে, এই ধরনের ভ্যাকসিনে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি খুব কম। যেহেতু সূঁচ ফোটানোর দরকার পড়ে না, তাই অ্যাডভার্স সাইট এফেক্টস বা জটিল প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনাও থাকে না।
[caption id="" align="aligncenter" width="859"]
(বাঁ দিক থেকে) ডা. আরিফুর রহমান, ডা. এবিএম আবদুল্লাহ এবং ডা. আহমেদুল কবির।[/caption]
বিজ্ঞানী এবিএম আবদুল্লাহ বলেছেন, ইঁদুরের শরীরে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করে ১০০ শতাংশ সাফল্য মিলেছে। মানুষের শরীরেও সমান কার্যকরী হবে। এই ভ্যাকসিন তৈরি জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করেছে সুইডিশ কোম্পানি। বাংলাদেশ সরকার নিজেদের উদ্যোগেই দেশে এই ন্যাজাল ভ্যাকসিনের উৎপাদন ও বিতরণ করবে। প্রাথমিকভাবে ১৮০ জনের ওপরে ট্রায়ালের জন্য অনুমোদন চাওয়া হয়েছে। এই ট্রায়াল সফল হলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাববে বাংলাদেশ সরকার।