শেষ আপডেট: 22 December 2019 04:17
লখনৌয়ে কারা পুলিশের উপরে চড়াও হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে চার সদস্যের একটি কমিটি। এই কমিটিতে রয়েছেন ফিরোজাবাদের জেলাশাসক চন্দ্র বিজয় সিং জানিয়েছেন, প্রথমে তাঁরা হামলাকারীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছেন।
বেশ কয়েকটি জেলা প্রশাসন ও জেলাপুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যেই দাঙ্গাবাজদের চিহ্নিত করার কাজ তাঁরা শুরু করে দিয়েছেন। কোনও ব্যাপারে এত দ্রুততার সঙ্গে সরকারি তরফে পদক্ষেপ খুব একটা দেখা যায় না।
মুজফফরনগরে সরকারের দ্রুত এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ হয়েছে। তবে ২০১৮ সালের ১ অক্টোবর সর্বোচ্চ আদালত যে রায় দিয়েছিল তাকেই হাতিয়ার করেছে উত্তরপ্রদেশ রাজ্য প্রশাসন। ওই রায়ে সর্বোচ্চ আদালত বলেছিল, কোনও ব্যক্তি সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করলে, তাকেই সেই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এ ব্যাপারে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষকে পদক্ষেপ করার নির্দেশও দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সরকারি সম্পত্তির যারা ক্ষতি করবে, তাদের ভারতীয় দণ্ডবিধি অনুযায়ী শাস্তিও দিতে বলেছিল সর্বোচ্চ আদালত।
জেলাপ্রশাসন যে পদক্ষেপ করছে, আদালতে সেই পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ জানানো যেতেই পারে, কিন্তু সরকারের এই পদক্ষপ হামলাকারীদের সতর্ক করবে বলে মনে করছে প্রশাসন।
বিক্ষোভের সময় গুলিতে মৃত্যুর ব্যাপারে এখনও পুরনো অবস্থানেই অনড় রয়েছে পুলিশ। এক শীর্ষ আধিকারিক শনিবারও দাবি করছেন, গত ৩৬ ঘণ্টায় পুলিশ কোনও গুলি চালায়নি, হামলাকারীরের মৃত্যু হয়েছে নিজেদের গুলিবিনিময়ের ফলেই, ময়নাতদন্তের রিপোর্টেও সে কথাই বলা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, শিশুদের ঢাল হিসাবে ব্যবহার করছিল হামলাকারীরা। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় পুলিশ ৭০৫ জনকে গ্রেফতার করেছে, ১২৪টি এফআইআর দায়ের করেছে এবং ৪০৫টি কার্তুজের খোল উদ্ধার করেছে।