দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের অন্তঃসত্ত্বা হস্তিনীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। কেরলের পর এবার ছত্তীসগড়ে। তবে কী কারণে মৃত্যু হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। ছত্তীসগড়ের প্রতাপপুর ফরেস্ট রেঞ্জের অফিসাররা জানিয়েছেন, মৃত হস্তিনীর ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসেনি। তা হাতে এলেই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
শুধু তাই নয়, সুরজপুর জেলার প্রতাপপুর ফরেস্ট রেঞ্জে গত দু'দিনে দুটি হাতির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বনকর্তারা। বন্যপ্রাণ অধিকর্তা অরুণ কুমার পাণ্ডে বলেছেন, একটি অন্তঃসত্ত্বা হস্তিনী এবং অন্যটি পুরুষ হাতি। দুটি হাতির দেহ উদ্ধার হয়েছে দুটি পৃথক জায়গা থেকে।
তিনি আরও বলেছেন, অন্তঃসত্ত্বা হস্তিনীর মৃত্যু হয়েছে কার্ডিও ভাসকুলার ফেলইওরের ফলে। তার শরীরে বেশ কয়েকটি সিস্ট ছিল বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে ঠিক কী কারণে মৃত্যু তা বোঝো যাবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরেই। তবে বুধবার বিকেলে যে পুরুষ হাতিটির মৃত্যু হয়েছে সেটি বয়সজনিত কারণ বলেই মনে করছেন বনকর্তারা।
গত কয়েক বছরে মানুষের আক্রমণে এই ফরেস্ট রেঞ্জে বেশ কয়েকটি হাতির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এই দুটি হাতির দেহ যেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে সেই দুটি জায়গা হাতিদের স্বাভাবিক বিচরণের জায়গা নয়। ফলে কী ভাবে ওই এলাকাগুলিতে বুনো হাতি দুটি এল তাও খতিয়ে দেখছেন বনকর্তারা। তাঁদের বক্তব্য, বুনো হাতিদের স্বাভাবিক নিয়ম হচ্ছে তারা দল বেঁধে থাকে। তাঁদের অনুমান মৃত দুটি হাতিই দলছুট হয়ে পড়েছিল।
কেরলের পালাক্কড় জেলায় অন্তঃসত্ত্বা হাতির মৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। বারুদ ঠাসা আনারস খেয়ে মৃত্যু হয় হাতিটির। মুখে আঘাত নিয়ে জলাশয়ে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থার ছবি ভাইরাল হয়ে যায় ফেসবুক টুইটারে। ওই ঘটনায় একজন গ্রেফতারও হয়েছে। তবে ছত্তীসগড়ের ঘটনায় তেমন কোনও সম্ভবনা নেই বলেই মনে করছেন বন দফতরের আধিকারিকরা।