দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিএড নিয়ে এ রাজ্যের পড়ুয়াদের ক্ষোভ অনেক দিনের। সেই ক্ষোভই এ বার প্রকাশ্যে এল মুখ্যমন্ত্রীর সামনে। বিএড পড়ার ক্ষেত্রে স্কলারশিপের দাবি জানালেন এক পড়ুয়া। তাঁর দাবির জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বললেন, এর আবার স্কলারশিপ কী করবো? বিএড-টা নিজেদেরই করতে হবে।
শুক্রবার উত্তর ২৪ পরগণার মধ্যমগ্রামে প্রশাসনিক বৈঠকে গিয়েছিলেন মমতা। সেখানেই বিরাটি থেকে আসা আকাশ পাত্র নামের এক ছাত্র দাঁড়িয়ে বলেন, "আমরা যারা স্কুল-কলেজ পড়ি, সবার স্বপ্ন থাকে শিক্ষকতার। কিন্তু সেটা করতে গেলে বিএড এখন বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছে। বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রীর ইনকাম সেরকম থাকে না। সবাই সরকারি জায়গায় পড়ার সুবিধাও পায় না। স্কলারশিপের তেমন ব্যবস্থা নেই। তাই যদি স্কলারশিপের ব্যবস্থা করা যায়। যেসব বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, সেগুলো সেলফ ফিন্যান্সড। সেখানে প্রচুর টাকা লাগে। অ্যাডমিশনের জন্য। নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে যদি রাখা যায় তাহলে ছাত্র-ছাত্রীরা উপকৃত হবে।"
ছাত্রটির এই আবেদনের পরেই মমতা বলেন, "এটা ১০ কি ১১ মাসের কোর্স। এর আবার কী স্কলারশিপ করব।" এ কথা বলার পরেই দেখা যায়, পিছন থেকে রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু কিছু বলছেন তাঁকে। শিক্ষা সচিবকেও দেখা যায় উঠে এসে কিছু বলছেন। তাঁদের বক্তব্য শোনার পর মমতা ফের বলেন, "বিএডটা তোমাদের করতে হবে এভাবে। আমিও বিএড করেছি শ্রীশিক্ষায়তন থেকে। ১০ মাসের কোর্স। এখন নিয়ম হয়ে গিয়েছে কম্পালসরি। কী করা যাবে। বিএডটা তোমাদের নিজেদের করা উচিত। সরকার তো সবটা করতে পারে না। কষ্ট করে করো। সরকার তো এখন প্রাইভেটকেও অনুমতি দিয়েছে। প্রাইভেটের কাছেও আমাদের রিকোয়েস্ট থাকবে সীমার মধ্যে যাতে ধরতে পারে। মাইনে বেশি না, তোমরা যখন ভর্তি হতে যাও তখন অ্যাডমিশন ফিজটা বোধহয় বেশি নেওয়া হয়।"