দ্য ওয়াল ব্যুরো: অপহরণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কিনারা করল পুলিশ। শনিবার বিকেল ৪টে নাগাদ বালিগঞ্জ সানি পার্ক এলাকা থেকে অপহৃত হয়েছিলেন শশীভূষণ দীক্ষিৎ নামের এক ব্যক্তি। এই ঘটনায় ৬ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে যিনি অপহৃত হয়েছিলেন সেই শশীভূষণের নামেও চাকরি পাইয়ে দেবার নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেছে অপহরণকারীরা। শনিবারের অপহরণ কাণ্ডে যে সাদা রংয়ের গাড়িটি ব্যবহার করা হয়েছিল সেটাও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।
শনিবার বিকেল ৪টে নাগাদ বালিগঞ্জের সানি পার্ক এলাকা থেকে শশীভূষণকে অপহরণ করে ওই ৬ জন অভিযুক্ত। সেসময় একটি চায়ের দোকানে অপেক্ষা করছিলেন শশীভূষণ। আচমকাই ওই ৬ জন ব্যক্তি এসে টেনে হিঁচড়ে তাঁকে একটি সাদা এসইউভি গাড়িতে তুলে চম্পট দেয়। শশীভূষণের 'বাঁচাও বাঁচাও' আর্তনাদ শুনে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছিলেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। তবে তাঁদেরকে অপহরণকারীরা মারধর করেছে বলে অভিযোগ। কেউ কিছু বোঝার আগেই এলাকা ছেড়ে শশীভূষণকে নিয়ে চম্পট দেয় ৬ অপহরণকারী। এরপর পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রাই। গাড়ির নম্বরের সূত্র ধরে রাতভর তল্লাশি ভালায় পুলিশ। গ্রেফতার হয় ৬ অপহরণকারী। বাজেয়াপ্ত হয় অপহরণে ব্যবহার করা গাড়িও। পুলিশ জানিয়েছে, অপহরণকারীরা আগ্রা, বরানগর, রিষড়া এবং হাওড়ার বাসিন্দা।
পুলিশের দাবি, জেরায় ওই ৬ অভিযুক্ত জানিয়েছে, সেনাবাহিনীতে তাদের চাকরি পাইয়ে দেবে বলে ১০ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন শশীভূষণ। শুধু তাই নয় তাদের দেওয়া হয়েছিল আইকার্ড এবং অ্যাপয়েনমেন্ট লেটারও। এমনকি লখনউয়ের একটি কম্যান্ডো হাসপাতালে মেডিক্যাল চেকআপও হয় এই ৬ জনের। পরে তারা জানতে পারে ওই পরিচয়পত্রগুলি ভুয়ো এবং মেডিক্যাল টেস্টের ঘটনাও সম্পূর্ণ সাজানো ছিল। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, সম্ভবত এই টাকা ফেরত পেতেই শশীভূষণকে অপহরণ করা হয়েছিল।