দ্য ওয়াল ব্যুরো: আলেজান্দ্রো বিদায়ের বিকেলেই স্ট্রাইকারের খোঁজে নেমেছিল ইস্টবেঙ্গল। কথা বলেছিল পিয়ারলেসকে ঘরোয়া লিগ দেওয়া আনসুমানা ক্রোমার সঙ্গে। বুধবার ক্রোমা তো বটেই লাল-হলুদের হয়ে সই করে ফেললেন পিয়ারলেসের কলকাতা লিগ জয়ী দলের ডিফেন্ডার মনোতোষ চাকলাদার। বোরহা গোমেজের জায়গায় বিদেশি কোটায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ক্রোমাকে। আর ডিফেন্সের ফাঁক ভরাতে সই করানো হল ব্যাণ্ডেলের মনোতোষকে।
গতবার জবি জাস্টিন, এনরিকে এসকুইদারা বল পেলেই জালে জড়িয়ে দিচ্ছিলেন। উপরি মাঝে মধ্যে ডানমাওয়াইয়া। কিন্তু এবারের ইস্টবেঙ্গল দলে তিনজনের কেউ নেই। ফলে যা হওয়ার তাই হয়েছে। গোল করার লোকের অভাব প্রকট হয়েছে প্রতিটি ম্যাচে। তাই মঙ্গলবারের বার বেলায় কোচের পদ থেকে আলেজান্দ্রর ইস্তফার পর ক্রোমাকে ক্লাবে ডাকেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। সেরে নেওয়া হয় পাকা কথা।
ক্রোমা মোহনবাগানের হয়েও দুরন্ত ফুটবল খেলেছিলেন। সঙ্গী ছিলেন কামো। খালিদ জমানার শেষ পর্বে কয়েকটি ম্যাচ খেলেছিলেন লাল-হলুদ জার্সিতেও। তবে দুই প্রধানই মুখ ফিরিয়ে নেওয়ায় পিয়ারলেসকেই জবাব দেওয়ার মঞ্চ করে নিয়েছিলেন এই লাইবেরিয়ান স্ট্রাইকার।
কিন্তু আইলিগে কোনও ক্লাব পাননি কলকাতার জামাই হয়ে যাওয়া ক্রোমা। গোল খরা কাটাতে ক্রোমাকেই সই করাল লাল-হলুদ।
অনেকের মতে, এখন চাইলেই যে কোনও ভাল বিদেশি স্ট্রাইকার পেত না ইস্টবেঙ্গল। কারণ সবাই কোনও না কোনও টিমে খেলছেন। সেক্ষেত্রে ক্রোমাকে নিলে দুটি সুবিধে আছে বলে মনে করেছিল শতবর্ষে পা রাখা ক্লাবটি। এক ক্রোমা কলকাতা ময়দান চেনেন এবং সমর্থকদের আবেগ বোঝেন। এবং দুই, তিনি পরীক্ষিত। এখন দেখার লাল-হলুদ জার্সিতে দ্বিতীয় ইনিংস কেমন হয় ক্রোমার। সেই সঙ্গে মনোতোষ এই সুযোগকে কতটা কাজে লাগাতে পারেন সেটাও দেখার।