দ্য ওয়াল ব্যুরো: জম্মু-কাশ্মীরে কুপওয়ারা জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় পাক সেনার মর্টার শেলিংয়ের সময় নিহত তিনজন সাধারণ নাগরিক। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, রবিবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ক্রস বর্ডার শেলিং শুরু করে পাক সেনা। আমজনতাই ছিল তাঁদের নিশানা। আর গোলা বর্ষণেই মৃত্যু হয়েছে ৩ নাগরিকের। কুপওয়ারার রাংওয়ার এলাকায় আজ যে ঘটনা ঘটেছে এই একই ধরনের ঘটনা রবিবার সকালেই হয়েছে কাঠুয়া এবং পুঞ্চ জেলায়।
পুঞ্চ জেলায় পাক সেনাবাহিনীর মর্টার শেলিংয়ের জেরে গুরুতর জখম হয়েছেন বছর ৪৫-এর এক মহিলা। মূলত কাসাবা এবং কিরনি সেক্টর বরাবর গোলাবারুদ বর্ষণ করে পাকিস্তানি সেনা। এর মধ্যেই বালাকোট থেকে একটি মর্টার বোম উদ্ধার করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। সেনা সূত্রে খবর, কোনও কারনে ওই বোমটি ফাটেনি। বিস্ফোরণের আগেই উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
শনিবার রাতেও ব্যাপক মর্টান শেলিং হয়েছে বালাকোট এবং মন্ধার সেক্টরে। স্থানীয়দের দাবি বোমা-গোলা-বারুদ বর্ষণ করেছে পাকিস্তানি সেনা। ক্ষতিগ্রস্ত অসংখ্য ঘরবাড়ি। ভারতে এখন এমনিতেই করোনা আতঙ্ক রয়েছে। পাকিস্তানেও থাবা বসিয়েছে নোভেল করোনাভাইরাস। কিন্তু কোভিড-১৯ সংক্রমণের মধ্যেও ক্রমাগত সীমান্তরেখা বরাবর যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করছে পাক সেনা।
গত রবিবারেও গুলির লড়াইয়ে উত্তপ্ত হয়েছিল কাশ্মীরের কেরান সেক্টর। পাঁচ জঙ্গিকে খতম করেছিলেন পাঁচ ভারতীয় সেনা জওয়ান। তবে দুর্ধর্ষ সেই অভিসানে শহিদ হয়েছিলেন সেনাবাহিনীর ওই পাঁচ জওয়ানও। ২০১৬ সালের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ইউনিটের পাঁচ জওয়ান সুবেদার সঞ্জীব কুমার, প্যারাট্রুপার বালকিষাণ, প্যারাট্রুপার ছত্রপাল সিং, হাবিলদার দেবেন্দ্র সিং ও প্যারাট্রুপার অমিত কুমার গত শুক্রবার নামেন জঙ্গি-দমন অভিযানে। অপারেশনের নাম দেওয়া হয় ‘রান্দোরি বেহেক’। খতম হয় পাঁচজন জঙ্গি। তাঁদের মধ্যে দু’জন জম্মু ও কাশ্মীরের বাসিন্দা। বাকি তিনজন জইশ-ই-মহম্মদের প্রশিক্ষিত জঙ্গি।