দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিন কয়েক আগেই কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সিআরপিএফ-এর বাসে আত্মঘাতী হামলায় শহিদ হয়েছেন কর্নাটকের বাসিন্দা, সিআরপিএফ জওয়ান এইচ গুরু। তাঁর মৃত্যুর পরে সরকারি ও বেসরকারি তরফে বেশ কিছু অর্থ সাহায্যও পায় তাঁর পরিবার। এই অর্থ নিয়েই অনর্থ ঘটে পরিবারে। অভিযোগ, এইচ গুরুর স্ত্রী সদ্যবিধবা কলাবতীকে পরিবার চাপ দিচ্ছে, এইচ গুরুর ভাই অর্থাৎ কলাবতীর দেওরকে বিয়ে করতে।
কর্নাটকের মান্ড্য এলাকার এই ঘটনার কথা সামনে আসতেই ছিছিক্কার পড়ে গেছে সমস্ত মহলে। শহিদের স্ত্রীয়ের সঙ্গে এমন আচরণের নিন্দা করছেন সকলে। আরও অভিযোগ, পুলিশকে ঘটনার কথা জানালেও অভিযোগ নেওয়া হয়নি। বরং পরামর্শ দেওয়া হয়েছে নিজেদের মধ্যে মিটিয়ে নেওয়ার।
কিন্তু কেন এমন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হল কলাবতীকে? স্থানীয় সূত্রের খবর, পরিবারের আশঙ্কা, বছর পঁচিশের কলাবতী এর পরে অন্য কাউকে বিয়ে করে চলে গেলে, তাঁর সঙ্গে ক্ষতিপূরণ বাবদ পাওয়া সব টাকাই হাতছাড়া হয়ে যাবে। এই অবস্থায় ওই টাকা ঘরে বেঁধে রাখতেই কলাবতীর সমবয়সী তাঁর দেওরকে বিয়ে করতে তাঁরা জোর করে চাপ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ।
কলাবতী জানিয়েছেন, পরিবারের এই চাপের মুখে পড়ে তিনি পরের দিনই মান্ড্য থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। কিন্তু তাঁকে বিস্মিত করে, এটি একটি পারিবারিক সমস্যা বলে, পরিবারের মধ্যেই আলোচনা করে মিটিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। সূত্রের খবর, আইনি কোনও সমস্যা এখনও দেখা না দেওয়ায় কোনও পদক্ষেপও করেনি পুলিশ।