
শেষ আপডেট: 24 April 2019 06:31
বিয়ের পর থেকেই রোহিত ও তাঁর স্ত্রীর মধ্যে গন্ডগোল চলছিল। পুলিশ সূত্রে খবর, অপূর্বা নানা পরস্পরবিরোধী কথা বলছেন। রোহিতের পরিবারের অন্যান্য সদস্য যা বলেছেন, তার সঙ্গে অপূর্বার বয়ান মিলছে না। সন্দেহ করা হচ্ছে, পরিবারের কারও হাতেই খুন হয়েছেন রোহিত। অপূর্বা ও রোহিতের ভাই সিদ্ধার্থকেই সন্দেহ করা হচ্ছে সবচেয়ে বেশি।
৪০ বছরের রোহিতকে রহস্যজনকভাবে শোওয়ার ঘরে মরে পড়ে থাকতে দেখা যায়। সুরতহাল করে জানা যায়, শ্বাসরুদ্ধ করে তাঁকে খুন করা হয়েছে। সেদিন রোহিতের বাড়িতে পরিবারের যে সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদেরই কেউ খুনে জড়িত বলে পুলিশের সন্দেহ হয়। একটি সূত্রে জানা যায়, অপুর্বার সঙ্গে সিদ্ধার্থের গোপন সম্পর্ক ছিল। সেজন্যই হয়ত রোহিতের সঙ্গে নিয়মিত ঝগড়া হত অপূর্বার।
রোহিতের মা উজ্জ্বলা তেওয়ারি প্রথম পুলিশকে জানান, তাঁর ছেলে ও পুত্রবধূর সম্পর্ক ভালো নয়। তাঁরা বাড়িতে পৃথক ঘরে থাকেন। অপূর্বা জানিয়েছেন, ১৬ এপ্রিল তিনি নিজের হাতে স্বামীকে রাতের খাবার দিয়েছিলেন। খাওয়ার পর রোহিত নিজের ঘরে চলে যান। কিছুক্ষণ পরে তিনি অপূর্বাকে ডেকে বলেন, পায়ে যন্ত্রণা হচ্ছে। তিনি স্বামীর সেবা করেন। কিছুক্ষণ পরে নিজের ঘরে ফিরে যান।
পুলিশ জানিয়েছে, রোহিতের পরিবারের ৩৫ জন সদস্যের ফোনের কল লিস্ট খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অটোপ্সি রিপোর্টে জানা যায়, রাত ১ টা থেকে ২ টোর মধ্যে রোহিতকে খুন করা হয়েছিল। ওই সময়ের পরেও তাঁর ফোনটি ব্যবহার করা হয়েছে।
১৬ এপ্রিল রাতে কেউ বাইরে থেকে রোহিতের ডিফেন্স কলোনির ফ্ল্যাটে ঢুকেছিল বলে প্রমাণ নেই। সেজন্যই পুলিশের সন্দেহ, বাড়ির কেউ ওই অপরাধে যুক্ত। রোহিত ১২ এপ্রিল উত্তরাখণ্ডে গিয়েছিলেন। ১৫ এপ্রিল ফিরে আসেন। তার পরদিন খুন হয়ে যান।