
শেষ আপডেট: 7 February 2021 14:40
আইটিবিপি-র মুখপাত্র বিবেক পাণ্ডে বলেছেন, অলকানন্দার জল থেকে ১০ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার সম্ভাবনা আছে। এখনও ১৫০ জনের খোঁজ মিলছে না। অন্যদিকে, রেইনি গ্রামের তপোবন এলাকা থেকে সাধারণ মানুষজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। উদ্ধারকারী দল জানাচ্ছে, বন্যার জলে আকে পড়েছেন অনেকে। তাঁদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
https://twitter.com/tsrawatbjp/status/1358351801620267011
ঘটনার সূত্রপাত গতকাল রাত থেকেই। জোশীমঠের নন্দাদেবী হিমবাহে ফাটলের খবর আগেই মিলেছিল। গতকাল রাতে আচমকাই এই হিমবাহের একটি বড় চাঙড় ভেঙে পড়ে। হিমবাহ গলা জল প্রবল গতিতে পাহাড় বেয়ে নেমে আসতে থাকে। হিমবাহ ভাঙা জলের স্রোত ঋষিগঙ্গা বিদ্যুৎ প্রকল্পের ওপর দিয়ে বয়ে যায়। রাজ্য পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল অশোক কুমার বলেছেন, পাওয়ার গ্রিডের ক্ষতি হয়েছে। বেশিরভাগ অংশ ভেসে গেছে। শতাধিক শ্রমিকের খোঁজ মিলছে না। মনে করা হচ্ছে তাঁরা জলের স্রোতে ভেসে গেছেন। রেইনি গ্রামের কাছে একটি নদীবাঁধ ভেঙে পড়ছে। বন্যার জল ঢুকে গ্রামের বেশিরভাগ বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে গেছে।
উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ক্রিবেন্দ্র সিং বলেছেন, জোশীমঠের কাঠে ৩০টি বেডের হাসপাতাল তৈরি রাখা হয়েছে। শ্রীনগর, ঋষিকেশ, জলিঘাট, দেহরাদূনেও হাসপাতাল তৈরি আছে। বিপর্যয় মোকাবিলায় সবরকম চেষ্টা করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, আইটিবির সঙ্গে উদ্ধারকাজে নেমেছে সেনাবাহিনীও। ৬০০ জওয়ান নিরন্তর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এনটিপিসি ও ঋষিগঙ্গা বিদ্যুৎ প্রকল্পের নিখোঁজ শ্রমিকদের খোঁজ চলছে।