পছন্দের হেয়ারকাটে নিষেধ মায়ের, আত্মঘাতী স্কুল পড়ুয়া
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছেলে যে কায়দায় চুল কাটতে চেয়েছিল তাতে নিষেধ করেছিলেন মা। আর তাই অভিমানে আত্মঘাতী হল দ্বাদশ শ্রেণির এক পড়ুয়া।
ঘটনাটি ঘটেছে চেন্নাইয়ের বালাসারাভাক্কাম এলাকায়। পুলিশ সূত্রে খবর, দ্বাদশ শ্রেণির ওই পড়ুয়ার নাম শীনিবাসন। ১৭ বছরের
শেষ আপডেট: 20 January 2020 17:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছেলে যে কায়দায় চুল কাটতে চেয়েছিল তাতে নিষেধ করেছিলেন মা। আর তাই অভিমানে আত্মঘাতী হল দ্বাদশ শ্রেণির এক পড়ুয়া।
ঘটনাটি ঘটেছে চেন্নাইয়ের বালাসারাভাক্কাম এলাকায়। পুলিশ সূত্রে খবর, দ্বাদশ শ্রেণির ওই পড়ুয়ার নাম শীনিবাসন। ১৭ বছরের শীনিবাসন তার মা মোহনার সঙ্গে থাকত। রবিবার ঘরের মধ্যেই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে সে।
জানা গিয়েছে, কুন্দ্রাথুর এলাকার একটা স্কুলে পড়ত শীনিবাসন। পোঙ্গল উপলক্ষ্যে ছুটিতে কয়েক দিন আগে বাড়ি এসেছিল সে। বাড়ি আসার পর থেকেই তার চুলের জন্য মা তাকে বকাবকি করছিলেন। ছেলের কায়দা করে চুল কাটা পছন্দ করতেন না মোহনা। তিনি বারবার শীনিবাসনকে ঠিকঠাক চুল কাটার কথা বলছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, শ্যুটিংয়ের সেটে বাসন মেজে রোজগার করেন মোহনা। তিনি বকাবকি করে শনিবার ছেলেকে নিয়ে কাছের এক সেলুনে যান। তারপর জোর করে তার চুল কেটে দেন। এরপর নাকি বাড়ি ফিরে কথা বলা বন্ধ করে দেয় শীনিবাসন। নিজেকে একটা ঘরে আটকে রাখে সে। ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়াও করছিল না শীনিবাসন।

জানা গিয়েছে রবিবার মোহনা কাজে বেরিয়ে যাওয়ার পর ঘরে একাই ছিল শীনিবাসন। সন্ধেবেলা মোহনা বাড়িতে ফিরে দেখেন সিলিং ফ্যানের সঙ্গে শাড়ি গলায় পেঁচিয়ে ঝুলছে তাঁর ছেলের দেহ। মোহনার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে শীনিবাসনের দেহ নামান। কিন্তু ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়েছে।
প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, শীনিবাসন খুবই কম কথার ছেলে ছিল। ছুটিতে হোস্টেল থেকে বাড়ি এসে খুব একটা বাড়ির বাইরে যেত না সে। তাই মায়ের সঙ্গে তার ঝগড়া শুনেও প্রতিবেশীরা কেউ সেভাবে গুরুত্ব দেননি।
পুলিশ শীনিবাসনের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়। বারবার জ্ঞান হারাচ্ছেন মোহনা। সামান্য একটা চুল কাটার জন্য তাঁর ছেলে যে এরকম পদক্ষেপ নেবে তা স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারছেন না তিনি।