এনকাউন্টারে ১০৩ জনকে মেরেছি দু'বছরে, মায়াবতীর কটাক্ষের জবাব উত্তরপ্রদেশ পুলিশের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৪৪ ঘণ্টা লড়াই করার পর থেমে গিয়েছে উন্নাওয়ের দগ্ধ ধর্ষিতার জীবন। শুক্রবার দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে নির্যাতিতার মৃত্যুর পরে ক্ষোভে ফুটছে গোটা দেশ। এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোরও। উত্তরপ্রদেশের দুই প্রাক্তন মুখ্যম
শেষ আপডেট: 7 December 2019 14:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৪৪ ঘণ্টা লড়াই করার পর থেমে গিয়েছে উন্নাওয়ের দগ্ধ ধর্ষিতার জীবন। শুক্রবার দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে নির্যাতিতার মৃত্যুর পরে ক্ষোভে ফুটছে গোটা দেশ। এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোরও। উত্তরপ্রদেশের দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী ও অখিলেশ যাদব সোচ্চার হয়েছেন সোগী আদিত্যনাথ সরকারের বিরুদ্ধে। তাঁদের অভিযোগ, মহিলাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ব্যর্থ যোগীর পুলিশ। আর এই অভিযোগের পড়েই তার জবাব দিল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। নিজেদের টুইটার অ্যাকাউন্টে গত দু'বছরে তাদের সাফল্যের খতিয়ান দেখিয়েছে তারা।
উত্তরপ্রদেশ পুলিশ এদিন বিকেলে টুইট করে গত দু'বছরে তাদের হাতে নিহত ও গ্রেফতার হওয়া অপরাধীদের সংখ্যা জানিয়েছে। এই টুইটে বলা হয়েছে, "সংখ্যাই কথা বলে। জঙ্গলরাজ অতীত। এখন আর নেই। গত ২ বছরে ৫১৭৮টি পুলিশি অভিযানে খতম হয়েছে ১০৩ জন অপরাধী। জখম হয়েছে ১৮৫৯ জন। ১৭৭৪৫ অপরাধী আত্মসমর্পণ করেছে অথবা নিজেরাই জামিন না নিয়ে জেলে গিয়েছে। অপরাধীরা রাজ্যের অতিথি নয়।"
https://twitter.com/Uppolice/status/1202838273598451713?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1202838273598451713&ref_url=https%3A%2F%2Fzeenews.india.com%2Fbengali%2Fnation%2Fup-police-claims-of-killing-103-since-2017_290189.html
এই টুইটের মাধ্যমে যোগীর পুলিশ বোঝাতে চেয়েছে ২০১৭ সালে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর উত্তরপদেশে পুলিশের দায়বদ্ধতা আরও বেড়েছে। চলতি বছর জুলাই মাসে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ডিজি ওপি সিং বলেছেন, শীর্ষমহল থেকে তাঁদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কোনও অপরাধীকেই রেয়াত করা হবে না। পুলিশের উপরে কোনওরকম রাজনৈতিক চাপ নেই। আর তাই পরিসংখ্যান দেওয়া হয়েছে এনকাউন্টার ও গ্রেফতারির।

তবে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের করা টুইটের পরেও শুরু হয়েছে তরজা। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের বক্তব্য, মায়াবতী, অখিলেশ যাদব, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢড়ার মতো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা আক্রমণ করেছেন যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসনকে। প্রশাসনের সর্বোচ্চ পদে থাকার সুবাদে রাজ্যের নিরাপত্তা মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব। তাঁরা তো পুলিশের উপর দায় চাপাননি। তাহলে কেন পুলিশ নিজে থেকে টুইট করে তার জবাব দিতে গেল। তাহলে কি পুলিশও রাজনীতিতে জড়াচ্ছে। এভাবে জবাব দিয়ে তো আখেরে বিরোধীদের অভিযোগকেই যৌক্তিকতা দিচ্ছে তারা।