দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতের ২৭৪টি জেলায় এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলে রবিবার বিকেলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লব আগরওয়াল। তবে তিনি জানিয়েছেন, এটা নিয়ে সন্তোষের এখনই কারণ নেই। বরং যে সব জেলায় সংক্রমণ এখনও ছড়ায়নি সেখানকার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সমান সতর্ক থাকতে বলেছেন ক্যাবিনেট সচিব রাজীব গৌবা।
রবিবার সকালে দেশের সব জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন ক্যাবিনেট সচিব। কী কী ব্যাপারে সতর্কতা নিতে হবে। কোথায় প্রস্তুতি কেমন ইত্যাদি নিয়ে ওই বৈঠকে সবিস্তার আলোচনা হয়েছে।
দেশে মোট জেলা রয়েছে ৭৩৬টি। তার মধ্যে ২৭৪ টি জেলায় সংক্রমণ ছড়ানোর অর্থ হল, ৪৬২ টি জেলায় এখনও কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ ঘটেনি। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কর্তারা জানিয়েছেন, এটা অবশ্যই ইতিবাচক। কিন্তু সেই সঙ্গে এও মনে রাখতে হবে যে যেখানে সংক্রমণ এখনও ছড়ায়নি সেখানকার মানুষকে আরও সচেতন থাকতে হবে। সোশাল ডিস্টেন্সিং তথা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। লক ডাউনের আর দশ দিনও বাকি নেই। এ কদিন বাড়ি থেকে না বেরনোর সংযম দেখাতে হবে। তা হলে সেই সব এলাকায় সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি আরও কমে যাবে।
রবিবার বিকেল চারটে নাগাদ সাংবাদিক বৈঠক করে লব আগরওয়াল আরও জানান, গত চব্বিশ ঘন্টায় আরও ৪৭২ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। মৃত্যু হয়েছে আরও ১১ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট ৭৯ জন করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে মারা গিয়েছেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ওই যুগ্ম সচিব আরও জানান, হিসাব মতো এখন ভারতে প্রতি ৪.৪ দিনে সংক্রামিতের সংখ্যা দ্বিগুণ হচ্ছে। সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ার পিছনে একটা বড় কারণ হল দিল্লির তবলিঘি জামাতের জমায়েত। তা না হলে হিসাব মোট ৭.৪ দিনে করোনা সংক্রামিতের সংখ্যা দ্বিগুণ হত।
তিনি আরও জানিয়েছেন, অ্যান্টিবডি টেস্টের জন্য সব রাজ্যগুলোকে কিট পাঠানো শুরু হয়েছে। তা ছাড়া সব রাজ্যকে প্রয়োজন অনুপাতে পারসোনাল প্রোটেকশন ইক্যুইপমেন্ট তথা পিপিই পাঠানো শুরু করেছে কেন্দ্র। আরও পিপিই-র বরাত দেওয়া হয়েছে। তা পেলেই প্রয়োজনের অনুপাতে রাজ্যগুলিকে পাঠানো হবে।