দ্য ওয়াল ব্যুরো: লকডাউনের মধ্যে দোকানে কেনাকাটা করতে যাওয়ায় পুলিশের মারে এক আদিবাসী বৃদ্ধের মৃত্যুর অভিযোগ উঠল মধ্যপ্রদেশের ধার শহরে। পরিবারের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। তাদের দাবি, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ওই বৃদ্ধের।
আদিবাসী বৃদ্ধের নাম টিগু বুধিয়া। তাঁর পরিবার জানিয়েছে, লকডাউনের মধ্যে শনিবার পাশের গ্রাম গুরজিতে কিছু কেনাকাটা করতে যান টিগু। তাঁর নিজের একটা দোকান রয়েছে। সেই দোকান ও বাড়ির জন্য কেনাকাটা করতে জামাই সঞ্জয় মেদাকে সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন ৬৫ বছরের টিগু।
টিগুর জামাই সঞ্জয়ের অভিযোগ, “আমরা যখন কেনাকাটা করছিলাম তখন চার-পাঁচটি গাড়িতে করে সেখানে পুলিশ এল। তারা এসেই কোনও কথা না বলে আমাদের মারতে লাগল। আমরা এদিক ওদিক ছোটাছুটি করতে থাকি। আমার পায়ে লেগেছে। পুলিশের মারেই আমার শ্বশুর মারা গিয়েছেন।”
পুলিশের তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। আদিত্যপ্রতাপ সিং নামের এক সিনিয়র পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন, “আমরা বাজারে গিয়ে সবাইকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়াতে বলছিলাম। তখনই খবর আসে বাজারে এক বৃদ্ধ রাস্তায় পড়ে আছেন। আমরা সঙ্গে সঙ্গে সেখানে যাই। কিন্তু ততক্ষণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।”
কংগ্রেস বিধায়ক পঞ্চিলাল মেদার বক্তব্য, “পুলিশের বক্তব্যে অসঙ্গতি রয়েছে। কারণ ওই বৃদ্ধের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমি জেলাশাসককে অনুরোধ করছি সরকারি ডাক্তারদের দিয়ে ভাল করে ওই বৃদ্ধের ময়নাতদন্ত করা হোক। কেউ দোষ করলে তারা যেন শাস্তি পায়।”