শেষ আপডেট: 1 July 2020 06:06
নতুন কোনও ভিডিও আপলোড তো দূরের কথা, পুরনো ভিডিওতে ক্লিক করলেও নেটওয়ার্ক এরর দেখা যাচ্ছে। দেখেই বোঝা যাচ্ছে কেন্দ্রের নির্দেশের পরে কোম্পানির তরফে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। টিকটকের ওয়েবসাইটে এই তথ্য দেওয়ার সঙ্গে সব ব্যবহারকারীর কাছেও এই তথ্য চলে গিয়েছে। ভারতে টিকটক ইন্ডিয়া টিমের তরফে এই তথ্য ব্যবহারকারীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
সোমবারই টিকটক সহ ৫৯ টি চিনা অ্যাপ ব্লক করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে টিকটক জানিয়ে দেয়, তারা আগামী দিনে ভারত সরকারের নির্দেশিকা পুরোপুরি মেনে চলবে। সেইমতো তারা নিজেদের বদলে নিচ্ছে। টিকটক ইন্ডিয়ার প্রধান নিখিল গান্ধী বলেন, “ভারতীয় আইন অনুযায়ী আমরা টিকটক ব্যবহারকারীদের তথ্য গোপন রেখেছি। কোনও গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য আমরা চিন বা অন্য কোনও দেশের সরকারকে দিইনি। আমরা সেই সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের সঙ্গে বৈঠক করব।” যদিও সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের সঙ্গে এই ব্লক করা ৫৯ টি অ্যাপের কোনও প্রতিনিধিরই দেখা করার কথা নেই।
সম্প্রতি আইফোনের নতুন অপারেটিং সিস্টেমের (আইওএস-১৪) আপডেট রিলিজ হয়েছে এবং এর মধ্যে একটি বিশেষ ফিচার রয়েছে। ওই বিশেষ ফিচারটি স্মার্টফোনে থাকলে, ব্যবহারকারীদের ডেটা কোন কোন অ্যাপ অ্যাকসেস করছে, সেগুলিকে শনাক্ত করে বলে দেওয়া যেতে পারে ফিচারের মাধ্যমে। এই ফিচারটির মাধ্যমেই জানা গেছে, টিকটক দীর্ঘদিন ধরেই সারা পৃথিবী জুড়ে লক্ষ লক্ষ আইফোন ব্যবহারকারীর তথ্যের উপর নজর রাখত।
প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, টিকটক প্রায়ই ইউজারদের ক্লিপবোর্ড অ্যাকসেস করত, যার সাহায্যে তাঁদের নোটগুলি পড়তে পারত টিকটক। ফোর্বস ম্যাগাজিনের একটি প্রতিবেদনে সম্প্রতি এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। জানা গেছে, ভারতের গ্রাহকদের ফোনেও নজরদারি চালিয়েছে তারা, সংগ্রহ করেছে তথ্যও।
টিকটক ছাড়াও শেয়ার ইট, ইউসি ব্রাউজার, ক্লাব ফ্যাক্টরি, ক্ল্যাশ অফ কিংস, হেলো, ক্যাম স্ক্যানার, ভি মেট, ভিগো ভিডিওর মতো অ্যাপ ব্লক করেছে কেন্দ্র। এই অ্যাপগুলিও পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে।