
শেষ আপডেট: 25 August 2019 09:10
তারপর বিজেপির সদর দফতর থেকে সুসজ্জিত শববাহী শকটে করে নিগমবোধ ঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয় জেটলির মরদেহ। সুন্দর করে সাজানো এই শকটের সামনে রয়েছে অরুণ জেটলির একটি ছবি। তার মধ্যেই তেরঙায় মুড়িয়ে রাখা হয়েছে জেটলির মরদেহ। শকটের মধ্যে রয়েছেন পরিবারের সসস্যরা। শকটের পিছনে হেঁটে চলা অনুরাগী ও বিজেপি কর্মীরা স্লোগান তুলছেন, 'জেটলিজি অমর রহে', কিংবা 'যব তক সুরজ-চাঁদ রহেগা, জেটলি তেরা নাম রহেগা'।
নিগমবোধ ঘাটেও চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। সেখানেও উপস্থিত রয়েছেন একাধিক নেতা-মন্ত্রী। অন্য দলে নেতাও অনেকে এসেছেন। রয়েছেন সংবাদমাধ্যমের প্রচুর সাংবাদিক। যাতে সবকিছু সুষ্ঠু ভাবে মিটে যায়, তার জন্য রয়েছে প্রচুর পুলিশ। দুপুর ৩টের মধ্যে জেটলির শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়ে যাবে বলে জানানো হয়েছে।
অরুণ জেটলির মৃত্যুর পর দু'দিনের শোকের কথা ঘোষণা করেছে হিমাচল প্রদেশ সরকার। এ দিকে বাহরিন সফরে গিয়ে শনিবার নিজের বক্তৃতার সময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “আমি কর্তব্যের কাছে বাঁধা পড়ে রয়েছি। এখন, বাহরিনে যখন উৎসবের মরসুম, আমি তখন এক গভীর দুঃখে ডুবে রয়েছি। যে বন্ধুর সঙ্গে আমি এতটা পথ হেঁটেছি, যে বন্ধুর সঙ্গে রাজনীতি করলাম এত বছর, আমার স্বপ্ন দেখা, লড়াই করা, স্বপ্নপূরণ করা– এই সবটুকু যিনি জানতেন, সেই বন্ধু অরুণ জেটলি চলে গেলেন আজ।”
বেশ কিছুদিন দিল্লির এইমস-এ ভর্তি থাকার পর শনিবার বেলা ১২টা নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৬৬ বছরের অরুণ জেটলি। তাঁর মৃত্যুর পর থেকে শোকের ছায়া রাজনৈতিক মহলে।