
শেষ আপডেট: 13 February 2019 16:27
ওই ব্যক্তি রেস্তোরাঁতে ফোন করেন অভিযোগ জানানোর জন্য। কিন্তু রেস্তোরাঁর তরফে তাঁর ফোন ধরা হয়নি। তারপর তিনি ঠিক করেন, সুইগিতে ফোন করে অভিযোগ জানাবেন। সুইগির তরফেও তাঁর ফোন ধরা হয়নি। বাধ্য হয়ে তিনি মেসেজে জানান, কী হয়েছে তাঁর সঙ্গে। কিন্তু সেই মেসেজেরও কোনও উত্তর আসেনি। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে গোটা ঘটনাটি তিনি ফেসবুকে লেখেন। ব্যান্ডেড পড়ে থাকা খাবারের ছবিও শেয়ার করেন। মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায়।
বালামুরুগনের বক্তব্য, খাবারের মধ্যে ব্যান্ডেড পড়ে থাকার ঘটনায় প্রধান দোষী ওই রেস্তোরাঁ। এখানে সুইগির হয়তো সরাসরি কোনও দোষ নেই। কিন্তু গাফিলতি আছে। কোনও রেস্তোরাঁর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আগে তাদের খাবারের কোয়ালিটি কিংবা হাইজিন সম্পর্কে সব জেনে নিয়ে তবেই তাদের সঙ্গে গাটছড়া বাঁধা উচিত বলে মনে করেন তিনি। এ ক্ষেত্রে সুইগির তরফে এই গাফিলতি হয়েছে বলে অভিযোগ ওই ব্যক্তির।
সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনা ভাইরাল হওয়ার পর অবশ্য টনক নড়ে সুইগি কর্তৃপক্ষের। তাঁদের তরফে জানানো হয়, এই ধরণের ঘটনায় তাঁরা ক্ষমাপ্রার্থী। ওই রেস্তোরাঁকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের থেকে আর কোনও দিন খাবার নেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়েছে সুইগির তরফে।
ওই ব্যান্ডেড পড়ে থাকা খাবার খাওয়ার পর বালামুরুগন সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে নিজের শরীর পরীক্ষা করিয়েছেন। পরে তিনি জানান, কোনও রকম শারীরিক সমস্যা হয়নি তাঁর। একদম সুস্থ আছেন।