দ্য ওয়াল ব্যুরো: জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার ওই সময় থেকেই উপত্যকার ৪০০-র বেশি নেতাকে সতর্কতামূলক গ্রেফতার করে রেখেছে প্রশাসন। শুক্রবার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা সাংবাদিক সম্মেলন করে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “যতক্ষণ না আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক হচ্ছে ততক্ষণ তাঁদের ব্যাপারে অন্য কিছু ভাবা সম্ভব নয়। তাঁরা চাইলে আদালতে যেতে পারেন।”
এ দিন ডোভালে বলেন, “আটক নেতাদের বিরুদ্ধে কোনও মামলা রুজু হয়নি। রাষ্ট্রদ্রোহিতারও অভিযোগ আনা হয়নি। শুধুমাত্র পরিস্থিতির কারণে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।” তাঁর কথায়, যা করা হয়েছে সবটা আইন মেনেই করা হয়েছে। আটক নেতারা চাইলে আদালতে যেতেই পারেন।
গতমাসে জম্মু ওকাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহেবুবা মুফতির মেয়ে সানা ইলতিজা জাভেদ চিঠি লিখেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। মায়ের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন। অভিযোগ করেছিলেন। কাশ্মীরের আটক নেতাদের সম্পর্কে মেহবুবা-কন্যা বলেছিলেন, “আটক নেতাদের সঙ্গে খাঁচাবন্দি পশুর মতো আচরণ করা হচ্ছে। মানবাধিকার সম্পূর্ণ ভুলুন্ঠিত।”
প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক ইউসুফ তারিগামির সঙ্গে দেখা করার অনুমতি চেয়ে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্যপালকে চিঠি দিয়েছিলেন সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। কিন্তু অনুমতি মেলেনি। তারপর সীতারাম যান সুপ্রিম কোর্টে। আদালত তাঁকে কাশ্মীরের যাওয়ার অনুমতি দেয়। এক রাত থেকে তারিগামির সঙ্গে দেখা করে দিল্লি ফেরেন সিপিএম সাধারণ সম্পাদক।
কিন্তু এ দিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেছেন, আইনের দরজা সবার জন্য খোলা। যে কেউ চাইলে চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। কিন্তু কাশ্মীরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ক্ষেত্রে গৃহবন্দি নেতাদের এক্ষুণি মুক্তি দেওয়া সম্ভব নয়। তাঁর আশঙ্কা, তাতে যখন যা খুশি হতে পারে।