দ্য ওয়াল ব্যুরোঃ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে চিন্তায় ছিলেন তিনি। ট্রাম্পের সুস্থতার জন্য প্রার্থনা শুরু করেন তিনি। সঙ্গে শুরু করেন উপোস। আর তার ফলেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। ট্রাম্প করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠলেও অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই যুবক। অবশেষে মৃত্যু হয়েছে তাঁর।
ঘটনাটি ঘটেছে তেলেঙ্গানায়। যুবকের নাম বুসসা কৃষ্ণা রাজু। পেশায় তিনি কৃষক। তাঁর বন্ধুরা জানিয়েছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প করোনা আক্রান্ত হওয়ার পরে খুবই দুশ্চিন্তায় ছিলেন রাজু। তাই প্রার্থনা শুরু করেন তিনি। সেইসঙ্গে উপোস করাও শুরু করেন তিনি। আর তাতেই শরীর খারাপ হয়ে যায় ওই যুবকের। অবশেষে রবিবার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয় তাঁর। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাজুর আর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু জানিয়েছেন, “ট্রাম্পের অন্ধভক্ত ছিলেন রাজু। নিজের বাড়িতে ট্রাম্পের একটি ৬ দুট লম্বা মূর্তিও তৈরি করেন তিনি। সেই মূর্তিকে রীতিমতো পুজো করতেন রাজু। ট্রাম্প করোনা আক্রান্ত হওয়ার পরে খুবই চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। রাতে ঘুমোতেন না তিনি। উপোস করে ট্রাম্পের সুস্থ হয়ে ওঠার প্রার্থনা শুরু করেন তিনি। তিন-চার দিন ধরে উপোস করায় অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। রবিবার দুপুরে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয় রাজুর।”
এদিকে কয়েক দিন করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি থাকার পরে সুস্থ হয়ে হোয়াইট হাউসে ফিরেছেন ট্রাম্প। তারপরে শনিবারই প্রথমবার নির্বাচনী সভায় আসেন তিনি। সেখানে এসেই সবার সামনে নিজের মাস্ক খুলে ফেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তারপরে তিনি বলেন, “সবার সামনে ফিরতে পেরে আমার দারুন লাগছে। বাইরে বেরিয়ে ভোট দিন। সবাইকে ভালবাসি।” ট্রাম্প মাস্ক খুলে ফেললেও তাঁর সবাই যাঁরা ছিলেন, সবাইকেই দেখা যায় মাস্ক পরে রয়েছেন। প্রেসিডেন্ট আক্রান্ত হওয়ার পরে তাঁর সভা নিয়ে কড়াকড়ি করেছে হোয়াইট হাউস। তাই এই বন্দোবস্ত।
হোয়াইট হাউসে দাঁড়িয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমি আমার দেশের মানুষদের বলতে চাই যে আমরা করোনাভাইরাসকে হারাতে চলেছি। এই ভাইরাস উধাও হচ্ছে। এটি উধাও হতে চলেছে। আমরা শক্তিশালী ওষুধ ও চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার করেছি। অসুস্থদের আমরা সুস্থ করে তুলছি। খুব তাড়াতাড়ি ভ্যাকসিন আসতে চলেছে। এটাও রেকর্ড টাইমে।”
ট্রাম্পের সভায় এদিন যাঁরা উপস্থিত ছিলেন তাঁদের মুখে ট্রাম্পের নামে জয়ধ্বনি ছিল। কিন্তু নির্বাচনের আগে খুব একটা ভাল জায়গায় নেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট। প্রতিদ্বন্দ্বী জো বিডেনের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন তিনি। তাই নিজের জমি ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছেন ট্রাম্প।