
শেষ আপডেট: 9 November 2019 12:20
সনিয়ার এই চিঠির পরে রাজনৈতিক মহলের একাংশের বক্তব্য, ২৮ বছরের এই সম্পর্ককে সম্মান জানাল গান্ধী পরিবার। রাহুল ও সনিয়া বোঝাতে চাইলেন এই দায়বদ্ধতা ও সুরক্ষার জন্য তাঁরা কতটা কৃতজ্ঞ। সেইসঙ্গে মোদী সরকারকেও একটা জবাব দিলেন তাঁরা। বোঝালেন যতই তাঁদের নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হোক না কেন, এসপিজি-র সঙ্গে এত বছরের সম্পর্ক তাঁরা ভুলতে পারেননি। তাই এই সম্মান জানিয়েছেন।
১৯৯১ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী জঙ্গিদের হাতে নিহত হওয়ার পর থেকে গান্ধী পরিবারের সদস্যদের এসপিজি কভার দেওয়া হয়। ১৯৮৪ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী নিহত হওয়ার এক বছর বাদে স্পেশ্যাল প্রোটেকশন ফোর্স বা এসপিজি গঠন করা হয়। সেই বাহিনীতে ৩ হাজার সদস্য আছেন। ভিভিআইপিদের নিরাপত্তা দেওয়া তাঁদের কাজ।
রাজীব গান্ধীর মৃত্যুর পর এসপিজি আইনে পরিবর্তন করে বলা হয়, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁদের পরিবার ১০ বছর স্পেশাল প্রোটেকশন গার্ডের সুরক্ষা পাবেন। ২০০৩ সালে অটলবিহারী বাজপেয়ী সরকারের আমলে সেই আইনে পরিবর্তন করে বলা হয়, ১০ বছর নয়, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবার এক বছর এসপিজি প্রোটেকশন পাবেন। তারপর খতিয়ে দেখা হবে, তাঁদের কতদূর নিরাপত্তা দেওয়ার প্রয়োজন আছে।
গান্ধী পরিবারের দু’জন জঙ্গিদের হাতে নিহত হয়েছেন। তাঁরা বরাবরই দেশের সবচেয়ে সুরক্ষিত পরিবারগুলির অন্যতম। একমাত্র প্রধানমন্ত্রী ও আরও অল্প কয়েকজন অত সুরক্ষা পেয়ে থাকেন। গত অগস্টে সরকার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর এসপিজি কভার তুলে নিয়েছে। এর আগে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়া ও ভি পি সিং-এর এসপিজি সুরক্ষাও তুলে নেওয়া হয়। অটলবিহারী বাজপেয়ী অবশ্য আমৃত্যু স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপের ঘেরাটোপে থেকেছেন।