Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশু

ভারতের মন্দা বিশ্ব অর্থনীতির বৃদ্ধিকে পিছনে টানছে : আইএমএফের গীতা গোপীনাথ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতের অর্থনৈতিক মন্দা বিশ্ব অর্থনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে বলে সোমবার তাঁর পর্যবেক্ষণ জানালেন আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার তথা আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিক গীতা গোপীনাথ। তিনি বলেন, ভারতীয় অর্থনীতিকে মন্দা গ্রাস করছে। তার ফলে

ভারতের মন্দা বিশ্ব অর্থনীতির বৃদ্ধিকে পিছনে টানছে : আইএমএফের গীতা গোপীনাথ

শেষ আপডেট: 21 January 2020 02:00

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতের অর্থনৈতিক মন্দা বিশ্ব অর্থনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে বলে সোমবার তাঁর পর্যবেক্ষণ জানালেন আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার তথা আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিক গীতা গোপীনাথ। তিনি বলেন, ভারতীয় অর্থনীতিকে মন্দা গ্রাস করছে। তার ফলে আশঙ্কা করা হচ্ছে গোটা বিশ্বের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সম্ভাবনা কিছুটা হলেও ধাক্কা খাবে। মনে করা হচ্ছে, বিশ্ব অর্থনীতির বৃদ্ধির হার এর ফলে ০.১ শতাংশ কমতে পারে। এর আগে আইএমএফ জানিয়েছিল ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে ভারতের বৃদ্ধির হার থাকবে ৬.১ শতাংশ। কিন্তু তিন মাসের মধ্যেই পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাদের হিসাব পরিবর্তন করেছে আইএমএফ। তাদের বক্তব্য, ভারতের বাজারের যা অবস্থা তাতে টেনেটুনে ৪.৮ শতাংশ হারে বৃদ্ধি হতে পারে মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন তথা জিডিপির। ভারতের বাজারের এহেন পরিস্থিতির কারণ মোটামুটি ভাবে পরিষ্কার। বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা কমছে। শিল্পপতিরা নতুন বিনিয়োগ করার সাহস পাচ্ছেন না। ঋণ পাওয়া নিয়ে সমস্যা রয়েছে। সেই সঙ্গে টাকার দাম ওঠাপড়া করছে ঘন ঘন। আর সর্বোপরি বাড়ছে মুদ্রাস্ফীতি। আইএমএফের মতে এসব মিলিয়ে উন্নয়নশীল দেশগুলির নিরিখেও পিছিয়ে পড়ছে ভারত। মোট জাতীয় উৎপাদন বা জিডিপি-র বিকাশের হার এজন্যই কমে যাচ্ছে। বস্তুত গত সাত বছরে জিডিপি বৃদ্ধির হার কখনও এত কমেনি। আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের আরও বক্তব্য, ইউরোপ, আমেরিকা ও জাপানের মতো উন্নত দেশের তুলনায় ভারতের অর্থনীতির হাল আরও খারাপ। একবছর আগেও বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলির মধ্যে ভারতের অর্থনীতিই বিকশিত হত সবচেয়ে দ্রুত গতিতে। কিন্তু এখন তা উন্নয়নশীল দেশগুলির তুলনায় পিছিয়ে পড়েছে। গীতা গোপীনাথের মতে, ভারতে সব থেকে সঙ্কটে রয়েছে ফিনান্সিয়াল সেক্টর। বিশেষ করে নন ব্যাঙ্কিং ফিনান্স কর্পোরেশনগুলোর হাল খুবই খারাপ। ঋণের বৃদ্ধি হচ্ছে না, অর্থাৎ বাজারের অবস্থা দেখে ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতাও কমছে। আর তার পাশাপাশিই গ্রামীণ এলাকায় আয়ে কোনও বৃদ্ধিই হচ্ছে না। ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে চাহিদা কমে গিয়েছে। আইএমএফ শুধু ভারতের বাজার নিয়ে প্রশ্ন তোলেনি। উন্নয়নশীল আরও কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়েও তাদের মতামত জানিয়েছে। তাতে এও বলেছে, কয়েকটি দেশে অভ্যন্তরীণ অস্থির পরিস্থিতিও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে অর্থনীতিতে। সুতরাং সরকারের উচিত দ্রুত পদক্ষেপ করা যা অর্থনীতিকে বৃদ্ধির পথে ফেরাতে কার্যকরী ভূমিকা নিতে পারে।

```