শেষ আপডেট: 28 January 2020 09:54
এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরেই সারজিল ইমামের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের মামলা করে অসম সরকার। তারপরে এফআইআর করে দিল্লি পুলিশও। পাঁচটি দল গঠন করে দিল্লি পুলিশ। তল্লাশি শুরু হয় মুম্বই, পাটনা ও দিল্লিতে। মামলা হওয়ার পর থেকেই পলাতক ছিলেন সারজিল। অবশেষে পুলিশের হাতে ধরা পড়লেন তিনি।
নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই সোচ্চার হয়েছেন সারজিল। হিন্দি ও ইংরেজি সংবাদমাধ্যমে লিখেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ছড়িয়ে বিক্ষোভের প্রচার করেছেন। শাহিনবাগে যে ধর্না হচ্ছে তারও অন্যতম প্রধান মুখ বলা হয় এই সারজিল ইমামকে। তবে সারজিলের ওই বিতর্কিত ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর শাহিনবাগের আন্দোলনকারীদের তরফে একটা বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, “নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে শাহিনবাগে আন্দোলন চলছে। এই আন্দোলন ৪৩ দিনে পড়ল। দিনে দিনে আন্দোলনের পরিসর বেড়েছে। আরও বেশি সংখ্যক মানুষ এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। তাই এই আন্দোলনকে কোনও একজন সারজিল ইমাম বা কারও একার আন্দোলন বলা যাবে না। এটা জনগণের আন্দোলন। এই আন্দোলনের কোনও নেতা বা মুখ নেই।”
অবশ্য এই প্রথম নয়, এর আগেও অনেকবার বিতর্কে জড়িয়েছেন জেএনইউয়ের এই ছাত্র। অযোধ্য মামলার রায় ঘোষণার পর তিনি বলেছিলেন, সংবিধান পুড়িয়ে ফেলবেন। তখনও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। এবারে সারজিলের বিরুদ্ধে জোড়া অভিযোগ ওঠায় বোঝা গিয়েছিল, এবার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া থেকে বেশিদিন পালিয়ে বেড়াতে পারবেন না তিনি। সেটাই হল। গ্রেফতার হলেন তিনি।