Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
মিছিলে না যাওয়ায় নন্দীগ্রামে তৃণমূল কর্মীকে মারধরের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে, শুভেন্দুকে শো-কজের দাবিIPL 2026: ‘তাহলে আমার তত্ত্ব ভুল ছিল না!’ বৈভবের বিরল ব্যর্থতা দেখে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য ইরফানের I PAC: ৫০ কোটির বেআইনি লেনদেন, আই প্যাক ডিরেক্টর ভিনেশের বিরুদ্ধে ৬ বিস্ফোরক অভিযোগ ইডিরWest Bengal Election 2026 | ‘৫০-আসন জিতে তৃণমূলকে ১৫০-আসনে হারাব’ মাতৃত্বের দুশ্চিন্তা, ‘ভাল মা’ হওয়ার প্রশ্ন—সদগুরুর পরামর্শে স্বস্তি পেলেন আলিয়ালক্ষ্য ২০২৯ লোকসভা ভোট, তড়িঘড়ি মহিলা সংরক্ষণ কার্যকরে মরিয়া মোদী! বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি কংগ্রেস?Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এটাই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?

সরকারি চাকরি, পদোন্নতিতে সংরক্ষণ মৌলিক অধিকার নয়: সুপ্রিম কোর্ট

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সরকারি চাকরি কিংবা পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনওরকমের সংরক্ষণের দাবি মৌলিক অধিকার নয় বলেই জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। কোনও আদালতই কোনও রাজ্যকে তপশিলি জাতি, উপজাতিদের ক্ষেত্রে সংরক্ষণের নির্দেশ দিতে পারে না বলে জানিয়ে দিয়েছে দেশের শ

সরকারি চাকরি, পদোন্নতিতে সংরক্ষণ মৌলিক অধিকার নয়: সুপ্রিম কোর্ট

শেষ আপডেট: 9 February 2020 07:25

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সরকারি চাকরি কিংবা পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনওরকমের সংরক্ষণের দাবি মৌলিক অধিকার নয় বলেই জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। কোনও আদালতই কোনও রাজ্যকে তপশিলি জাতি, উপজাতিদের ক্ষেত্রে সংরক্ষণের নির্দেশ দিতে পারে না বলে জানিয়ে দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট এই সিদ্ধান্ত দিয়েছে ২০১২ সালে উত্তরখণ্ডে পূর্ত দফতরের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার পদে পদোন্নতিতে তপশিলি জাতি, উপজাতির ক্ষেত্রে সংরক্ষণের বিরুদ্ধে করা মামলার শুনানিতে। ২০১২ সালে রাজ্য সরকারকে এই সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছিল উত্তরাখণ্ড হাইকোর্ট। বলা হয়েছিল, সরকারি চাকরিতে তপশিলি জাতি, উপজাতির সংখ্যা দেখে এই সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সেইসঙ্গে পরবর্তীকালে এই পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র তপশিলি জাতি, উপজাতিদেরই সুযোগ দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছিল হাইকোর্ট। সেই নির্দেশদুটিকেই খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতি এল নাগেশ্বর রাও ও হেমন্ত গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ। সুপ্রিম কোর্টের তরফে বলা হয়েছে, সংরক্ষণ দেওয়া, না দেওয়ার বিষয়টি রাজ্য সরকারের এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে। কোনও আদালত রাজ্যকে নির্দেশ দিতে পারে না। কোন ক্ষেত্রে কী পরিমাণ সংরক্ষণ প্রয়োজন তা রাজ্য নিজে ঠিক করবে। কোনও আদালতের কাছে জবাবদিহি করা বা আদালতের কোনও নির্দেশ মানতে রাজ্য সরকার বাধ্য নয়। দেশের শীর্ষ আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, সংবিধানের ১৬ নম্বর অনুচ্ছেদে এই সংরক্ষণের বিষয়টি রয়েছে। এটি সম্পূর্ণভাবে রাজ্য সরকারের বিবেচনার উপর নির্ভর করবে। তবে অবশ্যই সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কোনও পরিবর্তন করতে গেলে তার জন্য প্রথমে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সংখ্যার উপরে সংরক্ষণের হার অনেক সময় নির্ভর করে। এই তথ্য সংগ্রহ করে তা সুপ্রিম কোর্টের কাছে জমা দিতে পারে কোনও রাজ্য সরকার। যাতে পরবর্তীকালে এই সংরক্ষণ নিয়ে কেউ চ্যালেঞ্জ করলে তার জবাব দেওয়া যায়। অবশ্য সংরক্ষণ নীতিতে কোনও পরিবর্তন না করলে তথ্য সংগ্রহের কোনও দরকার নেই বলেই জানিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।  

```