ধর্ষণের সাজায় আইনে বড় বদল চাইলেন খোদ রাষ্ট্রপতি
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ধর্ষণের সাজায় আইন সবার জন্য সমান হওয়া উচিত, এমনটাই চাইছেন খোদ ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। বললেন, ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত নাবালকও যাতে ক্ষমা প্রার্থনা না করতে পারে সেই বিষয়ে ভাবা উচিত সংসদের। প্রয়োজন পড়লে সেই আইনে বদল
শেষ আপডেট: 6 December 2019 10:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ধর্ষণের সাজায় আইন সবার জন্য সমান হওয়া উচিত, এমনটাই চাইছেন খোদ ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। বললেন, ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত নাবালকও যাতে ক্ষমা প্রার্থনা না করতে পারে সেই বিষয়ে ভাবা উচিত সংসদের। প্রয়োজন পড়লে সেই আইনে বদল আনার অনুরোধ করেছেন রাষ্ট্রপতি।
শুক্রবার রাজস্থানের সিরোহিতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে একথা বলেন কোবিন্দ। রাষ্ট্রপতি বলেন, "মহিলাদের সুরক্ষা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। পকসো আইনের অধীনে সাজাপ্রাপ্ত অভিযুক্তরও ক্ষমা প্রার্থনা করার অধিকার থাকা উচিত নয়। ক্ষমা প্রার্থনা করার বিষয়টা বিবেচনা করে দেখা উচিত সংসদের।"

এদিন ভোরেই হায়দরাবাদের তরুণী পশু চিকিৎসককে খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত চার যুবককে এনকাউন্টারে খতম করে পুলিশ। তার কয়েক ঘণ্টা পরেই রাজস্থানে দাঁড়িয়ে কোবিন্দ বলেন, "মহিলাদের উপর এই ধরনের হামলার ঘটনা দেশকে আন্দোলিত করছে। এটা হওয়া কখনওই উচিত নয়। আমাদের সেই দিকেই বেশি নজর দেওয়া উচিত।"
বর্তমান আইন অনুযায়ী ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত কোনও নাবালকের সাজা ঘোষণার আগে বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হয়। তাদের সাজা অন্যদের তুলনায় কম হয়। সাজা ঘোষণা করা হলেও তার অধিকার থাকে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করার। ২০১২ সালে দিল্লির গণধর্ষণের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত এক নাবালক মাত্র তিন বছর জেল খেটেই মুক্তি পেয়ে যায়। তাকে প্রথমে জুভেনাইল হোমে রাখা হয় ও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকিদের ফাঁসির সাজা হলেও সেই নাবালক বর্তমানে দক্ষিণ ভারতে একটি হোটেলে রান্না করে বলে খবর।
অথচ সেই ধর্ষণকাণ্ডে নির্ভয়ার সবথেকে বড় ক্ষতি এই নাবালকই করেছিল। নির্ভয়ার যৌনাঙ্গে লোহার রড ঢুকিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা সেই করেছিল। তারপরেও নাবালক হওয়ায় ছাড়া পেয়ে যায় সে। সেই ঘটনা যাতে আর না হয়, তার জন্য আইনে বদল চাইলেন রাষ্ট্রপতি।