
শেষ আপডেট: 30 May 2020 07:23
আরপিএফের রিপোর্টে বলা হয়েছে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে পূর্ব-মধ্য, উত্তর-পূর্ব, উত্তর, উত্তর-মধ্য জোনে। মৃতদের বয়স ৪ থেকে ৮৫ বছরের মধ্যে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করেছে আরপিএফ।
একাধিক অন্তঃসত্ত্বা মহিলার সন্তান প্রসবের ঘটনাও ঘটেছে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে। এ ব্যাপারে দু'দিন আগেই রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল আবেদন করেন, কোনও অসুস্থ এবং অন্তঃসত্ত্বা যেন শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে না ওঠেন। তিনি বলেন,১০ বছরের নীচে, ৬৫ বছরের উর্দ্ধে কেউ যেন শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে না ওঠেন।
গতকাল, বৃহস্পতিবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রকের তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁর কথায়, "সামাজিক দূরত্ব না মেনে গাদাগাদি করে লোক তুলে রেলমন্ত্রক কি শ্রমিক এক্সপ্রেসের বদলে করোনা এক্সপ্রেস ঢুকিয়ে দিতে চাইছেন?" শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে জল, খাবারের কোনও সুষ্ঠু বন্দোবস্ত নেই বলেও অভিযোগ করেন মমতা।
মঙ্গলবারই কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিও তোলপাড় ফেলে দিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। মৃত মায়ের শাড়ির আঁচল টেনে ঘুম ভাঙানোর চেষ্টা করছে তিন বছরের সন্তান। বিহারের মুজফফরপুর স্টেশনের ওই মর্মান্তিক ভিডিও দেখে অনেককেই বলতে শোনা যায়, পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশাটা ঠিক কতটা তা এই একটা ঘটনাতেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।