দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লির হিংসা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেছিলেন প্রেসিডেন্সি কলজের প্রাক্তনী তথা অসমের শিলচরের গুরুচরণ শীল কলেজের অতিথি অধ্যাপক সৌরদীপ সেনগুপ্ত। সেই পোস্টে বিস্তর উস্কানি রয়েছে বলে অভিযোগ করে পড়ুয়ারা। তাঁরাই পুলিশে এফআইআর দায়ের করেন বলে জানা গিয়েছে। তারপর পদার্থবিদ্যার এই অধ্যাপককে গ্রেফতার করে শিলচর পুলিশ।
দিন দুয়েক আগে দিল্লির হিংসা নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন সৌরদীপ। সেখানে তিনি একটি নির্দিষ্ট ধর্মকে কাঠগড়ায় তুলে বলেন, তারাই অন্য ধর্মের উপাসনার স্থানে আগুন দিচ্ছে, বোমা মারছে। ওই পোস্টেই প্রেসিডেন্সির ছাত্র সংসদের প্রাক্তন সহ সাধারণ সম্পাদক লেখেন, “আমরা একজন গণহত্যাকারীকে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী করেছি।”
ওই পোস্টের নীচে এবিভিপির একাধিক নেতা কর্মী কমেন্ট করে দাবি করেন, ফেসবুকে লাইভ করে অধ্যপককে ক্ষমা চাইতে হবে। লাইভে না এলেও কারও ভাবাবেগে আঘাত করা উচিত হয়নি বলে দুঃখ প্রকাশ করেন অধ্যাপক। এরপর একদল ছাত্র তাঁর বাড়িতে চলে যান। তাঁকে সেখানে না পেয়ে ফিরে আসেন কলেজে। তিনি কলেজ পৌঁছলে শুরু হয় ঘেরাও। পরে শিলচরের পুলিশ গ্রেফতার করে ওই অধ্যাপককে।
সৌরদীপের গ্রেফতারিতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে তাঁর কলকাতার বন্ধু মহলেও। তাঁর জামিনের জন্য আইনি সহায়তা দিতে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন অসমে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। শনিবার দুপুরের পর তাঁকে আদালতে তোলার কথা। এখন দেখার আদালত এই তরুণ অধ্যাপককে জামিন দেয় কিনা।