দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিতর্কিত, উস্কানিমূলক বক্তৃতার জন্য দিল্লির বিজেপি নেতা প্রবেশ বর্মাকে শাস্তি দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। ৭২ ঘণ্টা প্রচারে বেরোতে পারেননি তিনি। কিন্তু সেই প্রবেশ বর্মাকেই সরাসরি আড়াল করার রাস্তায় হাঁটলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা দিল্লির ভোটে সর্বভারতীয় বিজেপির তরফে অন্যতম দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা প্রকাশ জাভড়েকর।
এদিন সংবাদসংস্থা এএনআইকে জাভড়েকর বলেন, “অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে কেউ টেররিস্ট বলেনি। তিনি গোবেচারা মুখ করে ‘আমায় টেররিস্ট বলেছে’ বলে দিল্লির ভোটারদের সহানুভূতি কুড়িয়েছেন।” তাঁর কথায়, অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে নৈরাজ্যবাদী বলা হয়েছিল। নৈরাজ্যবাদী আর সন্ত্রাসবাদীর মধ্যে একটা ফারাক রয়েছে।
কিন্তু সত্যিই কি তাই? গত ২৫ জানুয়ারি দিল্লির ভোট প্রচারে বেরিয়ে কেজরিওয়ালকে চড়া সুরে আক্রমণ করেন প্রবেশ বর্মা। বলেন, “কেজরিওয়াল আপনি একজন টেররিস্ট।” সেই সঙ্গে মেরুকরণকে তীব্র করার উদ্দেশে প্রবেশ বলেন, “এবার ভোটেও যদি কেজরিওয়ালের দল জেতে, তাহলে গোটা দিল্লির রাস্তার দখল নিয়ে নেবে শাহিনবাগের মতো লোকজন।”
মেরুকরণ করতে গিয়ে দিল্লিতে ব্যুমেরাং হয়েছে বিজেপির। এমনকি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পর্যন্ত বলতে বাধ্য হয়েছেন, “গোলি মারো বা ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের মতো মন্তব্য করা ঠিক হয়নি।” স্বীকার করে নিয়েছেন, দিল্লির ভোট নিয়ে তিনি যে হিসেব কষেছিলেন তা কোনও ভাবেই মেলেনি। অমিত শাহ বললেও এদিন সরাসরি প্রবেশ বর্মাকে আড়াল করার কৌশল নিলেন জাভড়েকর।
৭০টি আসলের মধ্যে ৬২টি আসনে জিতেছে আম আদমি পার্টি। আটটি আসন পেয়েছে বিজেপি। কংগ্রেস গতবারের মতোই শূন্য। উপরি এবারের ভোটে ৬৬টি জন কংগ্রেস প্রার্থীর ৬৩ জনের জামানত জব্দ হয়ে গিয়েছে। এদিন কংগ্রেসের বিরুদ্ধেও তোপ দাগেন জাভড়েকর।