সীমান্তে ফের সক্রিয় পাক জঙ্গিঘাঁটি, অনুপ্রবেশ রুখতে তৎপর নিরাপত্তাবাহিনী
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ফের সক্রিয় হচ্ছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি ঘাঁটি। সম্প্রতি গোয়েন্দা বিভাগের রিপোর্টে উঠে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য।
ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, লাইন অফ কন্ট্রোল বরাবর সাময়িক ভাবে যেসব জঙ্গি ঘাঁটি নিষ্ক্রিয় ছিল ফের
শেষ আপডেট: 8 October 2019 04:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ফের সক্রিয় হচ্ছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি ঘাঁটি। সম্প্রতি গোয়েন্দা বিভাগের রিপোর্টে উঠে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য।
ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, লাইন অফ কন্ট্রোল বরাবর সাময়িক ভাবে যেসব জঙ্গি ঘাঁটি নিষ্ক্রিয় ছিল ফের সেগুলো সক্রিয় হয়েছে। এর জেরে আগামী কয়েকদিনে বাড়তে পারে অনুপ্রেবেশ। নিরাপত্তা বজায় রাখতে তৎপর থাকতে বলা হয়েছে সীমান্তের নিরাপত্তাকর্মীদের। সূত্রের খবর, কমপক্ষে ১৮টি ট্রেনিং সেন্টার এবং ২০টি টেরর লঞ্চ প্যাড সক্রিয় হয়েছে। সব ঘাঁটিতে গড়ে ৬০ জন করে জঙ্গি রয়েছে বলে খবর। গোয়েন্দা দফতরের আশঙ্কা পাক জঙ্গিসংগঠনগুলি বড়সড় নাশকতার ছক কষছে।
রবিবারই সীমান্ত লাগোয়া পুঞ্চ সেক্টর পরিদর্শনে গিয়েছিলেন জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশ চিফ দিলবাগ সিং। সেখানেই তিনি বলেন, প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ জঙ্গি শীতের আগেই বর্ডার পেরিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে। এই অনুপ্রবেশের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করেছেন দিলবাগ সিং। ফলে উত্তেজনা বাড়তে পারে নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন এলাকায়। সূত্রের খবর, পাক জঙ্গিসংগঠন লস্কর-ই-তৈবা, হিজবুল মুজাহিদিন এবং জইশ-ই-মহম্মদের এর মাথারা গত সপ্তাহেই পুলওয়ামার কোনও এক গোপন ডেরায় বৈঠক করেছে। অনুমান, জম্মু-কাশ্মীর এবং দেশের অন্যান্য অংশে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং নিরাপত্তারক্ষীদের উপর বড়সড় হামলা চালানোর ছক কষা হয়েছে এই বৈঠকে।

উপত্যকায় ৩৭০ ধারা বিলোপের পর থেকেই উত্তেজনা বেড়েছে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে। গত ৫ অগস্ট জম্মু-কাশ্মীরে স্পেশ্যাল স্ট্যাটাস রদ হয়। তারপর থেকেই নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বেড়েছে জঙ্গি অনুপ্রবেশ। শহিদ হয়েছেন অনেক ভারতীয় সেনা জওয়ান। নিরাপত্তারক্ষীদের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়েছে বেশ কয়েকজন জঙ্গিও। দিলবাগ সিং জানিয়েছেন, গত দু'মাসে বারবার নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করেছে পাকিস্তান। কানাচক, আরএস পুরা, হিরা নগর, পুঞ্চ, রাজোউরি, উরি, নাম্বালা, কারনাহ এবং কারেন সেক্টর দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছে জঙ্গিরা। তবে সবক্ষেত্রে সফল হয়নি তারা বরং খতম হয়েছে সেনার গুলিতে।