দ্য ওয়াল ব্যুরো : ভোররাতে নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের খাইবার-পাখতুনখোয়া অঞ্চলে জইশ জঙ্গিশিবির ধ্বংস করে দেয় ভারতীয় বায়ুসেনা। তারপরেই গুজরাতের কচ্ছ এলাকায় ড্রোন নামালো পাক সেনা। সেই ড্রোনকে গুলি করে ধ্বংস করলো ভারতীয় সেনা।
সেনা সূত্রে খবর, মঙ্গলবার বেলা ১১টা নাগাদ গুজরাতের কচ্ছ সীমান্তে নানঘাটাদ গ্রামে একটি ড্রোন দেখতে পান নিরাপত্তারক্ষীরা। সঙ্গে সঙ্গে সেই ড্রোনকে গুলি করে নামান তাঁরা। গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, হঠাৎ করেই একটা জোরালো শব্দ শুনতে পান তাঁরা। তড়িঘড়ি সেখানে গিয়ে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ দেখতে পান গ্রামবাসীরা।
যদিও এই ব্যাপারে সেনার তরফে বিশদে কিছু জানানো হয়নি। কোথা থেকে এই ড্রোন অপারেট করা হলো, সেই ব্যাপারে খোঁজ নিচ্ছেন তাঁরা। সীমান্তের ওপার থেকে ড্রোন পাঠানো হয়েছে, নাকি এই ঘটনায় স্থানীয় কেউ যুক্ত, তারও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবার ভোররাতে মিনিট পনেরোর অপারেশনেই নিয়ন্ত্রণ রেখার ওপারে খাইবার-পাখতুনখোয়া অঞ্চলে জঙ্গি শিবির একেবারেই নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। মুজফ্রাবাদে সেক্টর দিয়ে নিয়ন্ত্রণ রেখা পার করে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে প্রবেশ করে ভারতীয় বায়ুসেনার মিরাজ ২০০০ বিমান। বালাকোটের দূরত্ব সেখান থেকে প্রায় পঞ্চাশ মাইল। সাউথ ব্লক জানাচ্ছে, ১২ টি মিরাজ যখন নিয়ন্ত্রণ রেখা পার করে ওপারে ঢোকে তখন টেরও পায়নি ইসলামাবাদ। তার পর এক হাজার কেজি ওজনের বোম দিয়ে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বালাকোটের সমস্ত জঙ্গি শিবির। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় একের পর এক জইশ ই মহম্মদের লঞ্চপ্যাড। মাসুদ আজহারের সংগঠনের কন্ট্রোল রুম আলফা-৩ ও ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এই আক্রমণের পরেই সীমান্তে সতর্কতা জারি করা হয়েছিল, পাকিস্তান ফের আক্রমণের চেষ্টা করতে পারে। সে দিকেই লক্ষ্য রেখেছিল নিরাপত্তারক্ষীরা। তারপরেই গুজরাত সীমান্তে দেখা যায় এই ড্রোন। সঙ্গে সঙ্গে গুলি করে নামানো হয় সেটিকে।
আরও পড়ুন
https://thewall.in/news-national-jaish-chief-masood-azhar-takes-shelter-in-rawalpindi-army-hospital/