দ্য ওয়াল ব্যুরো: কৃষক আন্দোলনের শুরু থেকেই সক্রিয় ছিল এই ইউটিউব চ্যানেলগুলি। আন্দোলনের সপক্ষে ব্যাপক প্রচার চালিয়েছে বলেই অভিযোগ গোয়েন্দা সংস্থাগুলির। এমন অন্তত ২০০ ইউটিউব চ্যানেলে নজরদারি চালানো হচ্ছে।
কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে প্রচার চালাতে সোশ্যাল মিডিয়াকেই হাতিয়ার করা হয়েছিল বলেই দাবি গোয়েন্দাদের। ফেসবুক, টুইটারে অজস্র উস্কানিমূলক পোস্ট করা হয়েছিল বলে দাবি। ইতিমধ্যেই কৃষক বিদ্রোহের সপক্ষে প্রচার চালানোর অভিযোগে টুইটারের প্রায় হাজারের বেশি অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তদন্তকারীরা বলছেন, একাধিক ইউটিউব চ্যানেল থেকে উস্কানিমূলক ভিডিও পোস্ট করা হয়। দেশবিরোধী প্রচার চালানো হয় বলেও অভিযোগ।
পাঞ্জাব পুলিশের একটি সূত্র বলছে, গত ২৬ নভেম্বর থেকে একাধিক ইউটিউব চ্যানেলে টিকরি, গাজিপুর ও সিঙ্ঘু সীমান্তের ছবি ও ভিডিও কনটেন্ট আপলোড করা হয়েছিল। এই ভিডিওগুলি খালিস্তানপন্থীদের সমর্থনে বানানো হয়েছিল বলেও দাবি। প্রতিটি ভিডিও কনটেন্ট এমন ছিল যা আন্দোলনকারীদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি করতে পারে।
আমেরিকার একটি শিখ সংগঠন ‘শিখস ফর জাস্টিস’দের পরিচালিত চ্যানলেটি নিষিদ্ধ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কিছুদিন আগেই কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে পাঞ্জাবি গায়ক কাঁওয়ার গ্রেওয়ালের গান ‘এয়লান’ ইউটিউব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। জনপ্রিয় সঙ্গীতকার হিম্মত সাঁধুর গান ‘আসি বাড়েঙ্গে’ গানটিও মুছে দেওয়া হয়। গান দু’টি গাজিপুর, সিঙ্ঘু সীমান্তে আন্দোলনকারী কৃষকদের কণ্ঠে শোনা গিয়েছে বারবার। তদন্তকারীদের দাবি, এই গানগুলির মাধ্যমে সরকার বিরোধী প্রচার চালানো হচ্ছিল। কৃষকদের প্রতি সরকারের নিষ্ঠুর মনোভাবের কথা বলা হয়েছিল।
২৬ জানুয়ারির পর থেকে যতগুলি ইউটিউব চ্যানেলে কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে প্রচার চালানো হয়েছিল তার সবকটিতেই নজরদারি চালাচ্ছে তদন্তকারীরা। দীপ সিধুর ইউটিউব চ্যানেলও নজর রাখা হচ্ছে। পুলিশের দাবি, প্রজাতন্ত্র দিবসের আগের দিন নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আন্দোলনের সপক্ষে ভিডিও আপলোড করেছিলেন দীপ সিধু।