আরও দাম বাড়বে পেঁয়াজের, তুরস্ক রফতানি বন্ধ করায় মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বড়দিনেই রান্নাঘরের জন্য খারাপ খবর। আরও দাম বাড়তে পারে পেঁয়াজের। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তুরস্ক পেঁয়াজ রফতানিতে ‘না’ করে দিয়েছে। একই পথে হেঁটেছে মিশরও। তাই ভারতের বাজারে এখন যা পেঁয়াজের দাম, তার থেকে
শেষ আপডেট: 25 December 2019 09:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বড়দিনেই রান্নাঘরের জন্য খারাপ খবর। আরও দাম বাড়তে পারে পেঁয়াজের। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তুরস্ক পেঁয়াজ রফতানিতে ‘না’ করে দিয়েছে। একই পথে হেঁটেছে মিশরও। তাই ভারতের বাজারে এখন যা পেঁয়াজের দাম, তার থেকে ১০-১৫ শতাংশ দাম বাড়তে পারে।
চিনের পরে যে দু’টি দেশের দিকে পেঁয়াজ আমদানি করার জন্য তাকিয়ে থাকে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা তারা হল তুরস্ক এবং মিশর। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বেসরকারি সূত্রে খবর, এই দু’টি দেশই আর পেঁয়াজ রফতানি করবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে বাজারদর আরও বাড়তে পারে।
তথ্য বলছে চলতি আর্থিক বছরে ভারত এখনও পর্যন্ত বিদেশ থেকে সাত হাজার ৭০ টন পেঁয়াজ আমদানি করেছে। যার ৫০ শতাংশই এসেছে তুরস্ক থেকে। নাসিকের এক পেঁয়াজ ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, বাজার দর বেড়ে যাওয়ার ফলে মহারাষ্ট্রের পেঁয়াজও বাইরে পাঠানো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, তুরস্ক এবং মিশর যদি সত্যি সত্যিই শেষ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত না বদলায়, তাহলে বড় সমস্যার মধ্যে পড়তে হবে ভারতের বাজারকে।
প্রাক্তন কৃষিমন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার বলতেন, পেঁয়াজের দাম চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়ে-কমে। এক বছর পেঁয়াজের ফলন কম হলে দাম বেড়ে যায়। পরের বছর বেশি করে পেঁয়াজ ফলান কৃষকরা। তখন আবার উদ্বৃত্ত হয়ে যায়। দাম পান না তাঁরা। তার পরের বছর ফের উৎপাদন কমিয়ে দেন। এ ভাবে চলতে থাকে। কিন্তু এবার ব্যাপারটা ভিন্ন। কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রকের তথ্য বলছে, গতবার যত হেকটর জমিতে সারা দেশে পেঁয়াজ চাষ হয়েছিল, এবার তার থেকে বেশি জমিতে পেঁয়াজ ফলেছে। সুতরাং, ফলন কম হওয়ার কারণে যে দাম বেড়েছে তা নয়।
আকাশ ছুঁয়েছে পেঁয়াজের দাম। উত্তর ভারত ও পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে কিলো প্রতি পেঁয়াজের দাম ১২০-১৫০ টাকার মধ্যে থাকলেও দক্ষিণ ভারতে তা ২০০ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আরও যদি ১০-১৫ শতাংশ দাম বাড়ে তাহলে মাথায় হাত পড়বে মধ্য ও নিম্ন মধ্যবিত্তের।