শেষ আপডেট: 4 February 2020 11:39
একটি প্রশ্নের লিখিত জবাবে রাই বলেন, “এনপিআরের সময় কোনও নথি সংগ্রহ করা হবে না।” একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে কোনও ব্যক্তির নাগরিকত্ব নিয়ে কোনও সংশয় রয়েছে কিনা সে কথাও জানতে চাওয়া হবে না এনপিআরের সময়।
এবছর ১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর দেশ জুড়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংখ্যা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। নিত্যানন্দ রাই বলেছেন, “সুমারির জন্য বাড়ি বাড়ি যাওয়া হবে এবং ব্যক্তি ও পরিবারের ব্যাপারে নির্দিষ্ট তথ্য চাওয়া হবে। উত্তরদাতাকে জানাতে হবে সে ব্যাপারে তিনি যা জানেন সেই তথ্য। আধার নম্বর দেওয়া ঐচ্ছিক।”
তিনি জানিয়েছেন, জনসংখ্যাপঞ্জি হল এমন একটি পঞ্জি যেখানে কোনও গ্রামাঞ্চল, শহরাঞ্চল বা অন্য কোনও নির্দিষ্ট অঞ্চলে বসবাসকারী ব্যক্তির সম্বন্ধে তথ্য নথিভুক্ত করা থাকে।
তিনি বলেন, “এনপিআর প্রথম তৈরি হয়েছিল ২০১০ সালে এবং আপডেট করা হয়েছিল ২০১৫ সালে। এটি করা হয়েছিল ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনের অধীনে তৈরি সিটিজেনশিপ (রেজিস্ট্রেশন অফ সিটিজেনস অ্যান্ড ইস্যু অফ ন্যাশনাল আইডেন্টিটি কার্ড) রুল ২০০৩-এর রুল ৩, সাবরুল ৪ মোতাবেক। কেন্দ্রীয় সরকার স্থির করেছে এই নিয়মের অধীন ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে অসম ছাড়া সারা দেশে জনসংখ্যাপঞ্জি আপডেট করার জন্য গ্রাম ও শহরে বসবাসকারীদের সম্বন্ধে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।”
উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিকে ও অবিজেপি রাজ্যগুলিকে এনপিআর ফর্ম ভাল ভাবে পড়ে দেখার জন্য আবেদন করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সংক্রান্ত তথ্য আপডেট করার আগে তিনি বিষয়টি নিয়ে বিচার-বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ করেছেন। এই বিষয়টিকে তিনি ‘ভয়ঙ্কর খেলা’ বলে অভিহিত করেছেন।