ফাঁসির মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ফের সুপ্রিম কোর্টে নির্ভয়া-অপরাধীদের আইনজীবী
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফাঁসি হতে আর ঘণ্টা তিনেক বাকি। সেই ফাঁসি, যার জন্য আট বছর ধরে লড়াই করছে নৃশংসতম উপায়ে ধর্ষিত এক তরুণীর পরিবার। সেই ফাঁসি, যার জন্য আট বছর ধরে প্রতীক্ষা করে রয়েছে দেশের প্রায় প্রতিটা মানুষ। সেই ফাঁসি, যে ফাঁসি নিশ্চিত হওয়ার
শেষ আপডেট: 19 March 2020 20:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফাঁসি হতে আর ঘণ্টা তিনেক বাকি। সেই ফাঁসি, যার জন্য আট বছর ধরে লড়াই করছে নৃশংসতম উপায়ে ধর্ষিত এক তরুণীর পরিবার। সেই ফাঁসি, যার জন্য আট বছর ধরে প্রতীক্ষা করে রয়েছে দেশের প্রায় প্রতিটা মানুষ। সেই ফাঁসি, যে ফাঁসি নিশ্চিত হওয়ার পরেও পিছিয়ে গিয়েছে তিন-তিন বার। নির্ভয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় চার অপরাধীর সেই বহু প্রতীক্ষিত ফাঁসিই হওয়ার কথা শুক্রবার, ভোর সাড়ে পাঁচটায়। ঠিক তার কয়েক ঘণ্টা আগে ফের নতুন নাটকের পর্ব তৈরি হল দিল্লির আদালতে।
ফাঁসির কয়েক ঘণ্টা আগে নতুন করে সাজা রদের আর্জি নিয়ে দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন নির্ভয়া গণধর্ষণ কাণ্ডের চার দোষী। মাঝরাতেই সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের বাড়িতে পৌঁছলেন নির্ভয়া দোষীদের আইনজীবী এপি সিং।
এবার কী হবে, কোন পথে আবেদন করবেন তিনি, ফের কোনও অপ্রত্যাশিত রায় আসতে পারে কিনা-- সেই সব প্রশ্নই ঘনিয়ে উঠেছে এই ঘটনায়। ফাঁসির কয়েকদিন আগেই এক অপরাধী অক্ষয় ঠাকুরের স্ত্রী ডিভোর্স পিটিশন ফাইল করেছিলেন। তাঁর দাবি, একজন ধর্ষকের বিধবা হয়ে তিনি থাকতে চান না। এই বিবাহ বিচ্ছেদের মামলার শুনানি এখনও শেষ হয়নি। ফলে রায়ও দেয়নি আদালতে। আর এটাকেই হাতিয়ার করে সোমবার রাতে দিল্লি আদালতের দ্বারস্থ হন এপি সিং।
যদিও ধোপে টেকেনি এই পিটিশন। আদালতে সাফ জানিয়েছে অক্ষয় ঠাকুরের স্ত্রী’র কথা ডিভোর্সের মামলার সঙ্গে ফাঁসি পিছিয়ে দেওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। এই দুই মামলার মধ্যে কোনও যোগাযোগই নেই। এর পরেই এপি সিং জানিয়েছিলেন, প্রয়োজনে সাজা রুখে দিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবেন তিনি। হয়েছেও তাই। সোমবার মধ্যরাতে ফাঁসির ঘণ্টা পাঁচেক আগে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন তিনি।
তিন তিনবার ফাঁসির তারিখ পিছনোর পর এই নিয়ে চতুর্থবার সাজা কার্যকর করার দিন ঘোষণা করেছে আদালত। ২০১২ সালের গণধর্ষণ কাণ্ডের রায় আসতেই সময় লেগেছে সাত বছর। তারপর সাজা ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে নানা টালবাহানা। যেনতেনপ্রকারে ফাঁসি রদের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে চার দোষী এবং তাদের আইনজীবী।