সুমন কল্যাণ ভদ্র
দু’দিন আগেই অসমের এনডিএফবি জঙ্গিরা শান্তিপূর্ণ পথে ফেরার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সরকারের সঙ্গে। ঘটা করে সাংবাদিক সম্মেলনও করেছিল অসম পুলিশ। কিন্তু তারপর ৪৮ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই নতুন আশঙ্কার মেঘ অসমে। দুর্ধর্ষ জঙ্গি বি বিদায়ে কোথায়? কোথায়ই বা গেলেন জঙ্গিগোষ্ঠীর আর্মি চিফ কে বাথা?
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সচিব সত্যেন্দ্র গর্গ, অসম সরকারের স্বরাষ্ট্র দফতরের আধিকারিক আশুতোষ অগ্নিহোত্রী ও এনডিএফবি (সংবিজিত) গোষ্ঠীর প্রধান বি সারাইগা যুদ্ধ বিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। কিন্তু তারপরই প্রশ্ন উঠেছে এই দু’জন কোথায় তা নিয়ে। কারণ ওই দিন সাইরাফার সঙ্গে আরএক জঙ্গি নেতা বিআর ফোরাঙাকে দেখা গেলেও বিদায়ে বা বাথেকে দেখা যায়নি। এই নিয়ে অসম সরকারের পুলিশের মহানির্দেশক ভাস্করজ্যোতি মোহন্ত সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি পর্যন্ত দিয়েছেন। পুলিশ কর্তার বক্তব্যে সংশয় দেখা দিয়েছে যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা নিয়ে।
এখন প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি এরা ফিরবে না শান্তির পথে? জঙ্গলে থেকেই নাশকতার কাজ চালিয়ে যাবে? বিদায়ে কে ধরতে কিছুদিন আগেও সিআরপিএফের কোবরা বাহিনী , সেনা , অসম পুলিশের সঙ্গে এয়ার ফোর্স সামিল হয়েছিল নিম্ন অসমের কোকরাঝাড় , বাকসা ও অদালগুড়ির জঙ্গলে। কিন্তু টিকি পাওয়া যায়নি তার।
যদিও কোকরাঝড়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বি সারাইগা ও বিআর ফোরাঙা বলেন, সকলেই আস্তে আস্তে শান্তির পথে ফিরে আসবে।
গত শনিবার ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ মায়ানমারের একটি গোপন জায়গায় প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র-সহ ভারতীয় সেনার সামনে আত্মসমর্পণ জঙ্গিরা। এর আগে রঞ্জন দৈমারির নেতৃত্বাধীন এনডিএফবির বেশ কয়েকজন প্রথমসারির জঙ্গি আলোচনার রাস্তায় আসার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন। তারপরেই ভাগ হয়ে যায় এনডিএফবি। যারা আত্মসমর্পণ করেনি, তাদের নিয়ে এনডিএফবি(সংবিজিত) তৈরি করে নাশকতামূলক কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন ইমতি কাথার।