Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্যক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের নববর্ষের 'শুভনন্দন'-এও মুখ্যমন্ত্রীর SIR তোপ! বাংলায় পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?

প্রধানমন্ত্রীর সামনে দাঁড়িয়ে নির্ভয়ে কথা বলবেন, এমন একজন নেতা চাই: মুরলী মনোহর জোশী

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রয়াত কংগ্রেস নেতা জয়পাল রেড্ডির স্মরণসভায় দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন অশীতিপর বিজেপি নেতা মুরলী মনোহর জোশী। কিন্তু তারই মাঝে দুম করে এমন একটা কথা বলে দিলেন, যা বিজেপি-র বহু নেতারই মনের কথা। জোশী বলেন, “আমি মনে করি, আজকের

প্রধানমন্ত্রীর সামনে দাঁড়িয়ে নির্ভয়ে কথা বলবেন, এমন একজন নেতা চাই: মুরলী মনোহর জোশী

শেষ আপডেট: 4 September 2019 14:53

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রয়াত কংগ্রেস নেতা জয়পাল রেড্ডির স্মরণসভায় দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন অশীতিপর বিজেপি নেতা মুরলী মনোহর জোশী। কিন্তু তারই মাঝে দুম করে এমন একটা কথা বলে দিলেন, যা বিজেপি-র বহু নেতারই মনের কথা। জোশী বলেন, “আমি মনে করি, আজকের দিনে এমন একজন নেতা দরকার যিনি প্রধানমন্ত্রীর সামনে দাঁড়িয়ে নীতিগত তর্ক করতে পারেন। তাঁর যেন কোনও সংকোচ বা ভয় না থাকে। এমন মনে না করেন যে তাঁর কথায় প্রধানমন্ত্রী রেগে যেতে পারেন বা দুঃখ পেতে পারেন”। বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা আরও বলেন, আগে সব দলের মধ্যে ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে আলোচনা হত। এখন সেই ব্যবস্থা প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তা পুনরুজ্জীবিত করে তোলা প্রয়োজন। দল ও দেশের স্বার্থেই তা দরকার। গত কয়েক বছর ধরে বিজেপি-র মধ্যে বিতর্কিত মন্তব্য করে বার বার শিরোনামে এসেছেন জোশী। এ বারও তিনি হাটের মধ্যে যে কথা ফেলেছেন, তা বলতে গেলে গেরুয়া শিবিরে অনেকেরই মনের কথা। কেন? পর্যবেক্ষকদের মতে, তার কারণ পরিষ্কার। বিজেপি যে অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের কথা বলে বা প্রকাশ্যে দাবি করে তা কার্যত এখন কথার কথা। বরং বিজেপি-র ভিতরে পরিবেশ এবং ধারনা এখন এমনই যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ যা বলবেন তাই শেষ কথা। দলে আলোচনা বিশেষ হয় না। শুধু সিদ্ধান্ত জানা যায়। অথচ আডবাণী-বাজপেয়ী জমানায় এমনটা ছিল না। দলের সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হয়ে ঘরোয়া বৈঠকে বা প্রকাশ্যে নেতারা তাঁদের মত জানাতেন। এ সব ব্যাপার আডবাণী ও বাজপেয়ী বরাবরই উদার দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে সামলেছেন। কখনও শাস্তির খাঁড়া নেমে আসেনি। কিন্তু এখন সেই পরিবেশ নেই। বিরুদ্ধ মত প্রকাশের সুযোগ কম। অনেকেই মনে করেন, বিরুদ্ধ মত প্রকাশ করতে গেলে হয়তো তাঁর পদই চলে যাবে। বিজেপি-র এক নেতার কথায়, হতে পারে এমন ব্যবস্থা নরেন্দ্র মোদীও চান না। তিন হয়তো চান দল বা সরকারের কোনও সিদ্ধান্ত নিয়ে কারও কোনও বিরুদ্ধ মত থাকলে তাও জানানো হোক। কিন্তু অভ্যন্তরীণ পরিবেশই এমন যে চিন্তার আদানপ্রদান প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। গোটা ব্যাপারটাই এখন ‘ওয়ান ওয়ে ট্রাফিকের’ মতোই। বিজেপি-র অনেকের মতে, অরুণ জেটলিই হয়তো শেষ ব্যক্তি যিনি মোদীর মুখের উপরেই কোনও বিষয়ে আপত্তি করতে পারতেন। আর হয়তো সঙ্ঘ পরিবারের শীর্ষ দু-এক জন নেতা তা করতে পারেন। কিন্তু বাকি কারও প্রায় সেই সাহস নেই। বস্তুত জোশী রেগে রয়েছেন এই কারণেই। এ বার লোকসভা নির্বাচনে লালকৃষ্ণ আডবাণী ও তাঁকে যে প্রার্থী করা হবে না সে ব্যাপারে তাঁদের সঙ্গে কোনও আলোচনাই করা হয়নি। এক তরফা সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে তার পর আডবাণী-জোশীদের জানানো হয়েছিল। তাতে প্রকাশ্যেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন দুই বর্ষীয়ান নেতা। দলের সেই সংস্কৃতির কথাই এ দিন ফের বোঝাতে চান জোশী। শুধু মুখে নরেন্দ্র মোদীর নামটি আনেননি। বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী।

```