Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

অযোধ্যায় মসজিদ: যোগী সরকারের চিহ্নিত করা জমি মেনে নিল সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত ৫ ফেব্রুয়ারি সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করেছিলেন, অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণের জন্য একটি ট্রাস্ট গঠন করছে তাঁর সরকার। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের রায় মোতাবেক উত্তরপ্রদেশ সরকার মসজিদের

অযোধ্যায় মসজিদ: যোগী সরকারের চিহ্নিত করা জমি মেনে নিল সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড

শেষ আপডেট: 24 February 2020 14:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত ৫ ফেব্রুয়ারি সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করেছিলেন, অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণের জন্য একটি ট্রাস্ট গঠন করছে তাঁর সরকার। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের রায় মোতাবেক উত্তরপ্রদেশ সরকার মসজিদের জন্যও জমি চিহ্নিত করছে। অযোধ্যার মন্দির এলাকা থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে জায়গা পাকা করে ফেলেছিল যোগী সরকার। ধোঁয়াশা ছিল এই জায়গা সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড মেনে নেবে কিনা। সোমবার বোর্ডের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ওই জায়গাতেই মসজিদ নির্মাণ করবে। সঙ্গে গ্রন্থাগার ও হাসপাতালও তৈরি হবে পাঁচ একর জায়গার মধ্যে। সুপ্রিম কোর্ট গত ৯ নম্ভেম্বর ঐতিহাসিক অযোধ্যা মামলার রায় দিয়ে বলে সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে ৫ একর জমি মসজিদ তৈরির জন্য দিতে হবে। সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান জুফার ফারুকি বলেন, ‘‘আজকের বৈঠকে ঠিক হয়েছে, উত্তরপ্রদেশ সরকার যে জমি আমাদের জন্য বরাদ্দ করেছে, তা গ্রহণ করা হবে। তার সঙ্গে একটি ইন্দো-ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, একটি হাসপাতাল এবং একটি লাইব্রেরিও তৈরি হবে ওই জমিতে।’’ অযোধ্যার ওই এলাকায় টানা ১৮ কিলোমিটার জুড়ে শুধু মন্দির আর মন্দির। এই গোটা জায়গাটিকে ’১৪ কোশি পরিক্রমা’ বলা হয়। আরএসএস, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, বজরং দলের মতো একাধিক হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দাবি ছিল, হিন্দু সংস্কৃতি এলাকার বাইরে মসজিদ করতে হবে। কোনও ভাবেই ওই এলাকায় তা করা যাবে না। পর্যবেক্ষকদের মতে, সেকারণেই এত দূরে মসজিদের জায়গা চিহ্নিত করেছে যোগী সরকার। সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন সাংবিধানিক বেঞ্চ অযোধ্যা মামলার রায় দিয়েছিল। তাতে বলা হয়, অযোধ্যায় মসজিদ কোনও ফাঁকা জমির উপর নির্মিত হয়নি। পুরাতত্ত্ব বিভাগ তাদের যে রিপোর্টে জানিয়েছিল, তাতে উল্লেখ ছিল ওই বিতর্কিত জমিতে তার আগে একটি কাঠামো ছিল। যা সম্ভবত দ্বাদশ শতকে নির্মিত হয়েছিল। পুরাতত্ত্ব বিভাগ বলে, ওই কাঠামো ইসলামিক ধাঁচের নয়। তবে তা যে মন্দিরই ছিল তাও বলা হয়নি রিপোর্টে। ’৯২ সালে মসজিদ ভেঙে দেওয়ার পর নমাজ পড়া বন্ধ হয়ে গিয়েছে ঠিকই কিন্তু তার মানে এই নয় যে মসজিদের দাবি ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। আইনি লড়াইয়ে নেমেছিল একাধিক ইসলামিক সংগঠন। সুপ্রিম কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করেও রিভিউ পিটিশন দাখিল হয়েছিল। কিন্তু তা খারিজ করে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত।

```