তিনদিনে ৩ পুলিশকর্মীর মৃত্যু, মুম্বইয়ে কোভিড পজিটিভ কনস্টেবলকে বাড়িতে থাকার নির্দেশ
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পরপর তিনদিনে মৃত্যু হয়েছে তিনজন কোভিড আক্রান্ত পুলিশকর্মী। এরপরেই মুম্বই পুলিশের তরফে কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন বছর ৫৫-র আর এক পুলিশকর্মী। মুম্বই পুলিশের এই কনস্টেবলকে আপাতত বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেওয়া
শেষ আপডেট: 28 April 2020 08:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পরপর তিনদিনে মৃত্যু হয়েছে তিনজন কোভিড আক্রান্ত পুলিশকর্মী। এরপরেই মুম্বই পুলিশের তরফে কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন বছর ৫৫-র আর এক পুলিশকর্মী। মুম্বই পুলিশের এই কনস্টেবলকে আপাতত বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যতদিন না সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠছেন ততদিন পর্যন্ত এই কনস্টেবলকে ডিউটি জয়েন করতে বারণ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, শনিবার থেকে সোমবার, এই তিনদিনে মৃত্যু হয়েছে মুম্বই পুলিশের তিনজনের। তাঁরা সকলেই কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছিলেন। চিকিৎসা চলাকালীন মারা যান এই তিনজন। তারপরেই আতঙ্ক ছড়ায় মুম্বই পুলিশ ডিপার্টিমেন্টে। উল্লেখ্য এই তিনজনেরই বয়স ছিল ৫০-র উপর। এরপরেই মুম্বই পুলিশের চিফ পরম বীর সিং বছর ৫৫-র করোনা আক্রান্ত ওই পুলিশকর্মীকে বাড়িতে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।
সোমবার করোনার চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয়েছে মুম্বই পুলিশের এক হেড কনস্টেবলের। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম শিবাজী সোনাওয়ালে (৫৬)। কয়েকদিন আগেই নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। চিকিৎসা চলছিল মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে। সোমবার সেখানেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। জানা গিয়েছে, কুর্লা ডিভিশনের এল-ওয়ার্ডে পোস্টিং ছিল এই হেড কনস্টেবলের। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বানানো করোনা হটস্পটের তালিকায় রয়েছে কুর্লা ডিভিশনের এই এল-ওয়ার্ড।
শিবাজী সোনাওয়ালের আগে কনস্টেবল চন্দ্রকান্ত পেন্দুরকর আক্রান্ত হয়েছিলেন করোনাভাইরাসে। ভাকোলা থানার এই কনস্টেবলই ছিলেন মুম্বই পুলিশের প্রথম কোভিড আক্রান্ত। শনিবার মৃত্যু হয় তাঁর। চন্দ্রকান্ত পেন্দুরকরও করোনার চিকিৎসা চলাকালীনই মারা গিয়েছেন বলে খবর। এরপরেই রবিবার মৃত্যু হয় মুম্বই পুলিশের আর এক হেড কনস্টেবল ৫২ বছরের সন্দীপ সুরভে-র।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট অনুসারে, ২৮ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত ভারতে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা মোট ২৯,৪৩৫। মৃত্যু হয়েছে ৯৩৪ জনের। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬৮৬৯ জন। দেশে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যা ২১,৬৩২। প্রথম থেকেই করোনাভাইরাসের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে মহারাষ্ট্রে। এখানে আক্রান্তের সংখ্যা মোট ৮৫৯০। মৃত্যু হয়েছে ৩৬৯ জনের। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১২৮২ জন। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন মুম্বইতে। মৃতের সংখ্যাও সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যনগরীতেই। তার মধ্যে ক্রমশ সংক্রমণ ছড়াচ্ছে মুম্বইয়ের ধারাভি বস্তিতে। এশিয়ার বৃহত্তম এই বস্তির কোভিড পরিসংখ্যান দেখে দুশ্চিন্তায় রয়েছে মারাঠা সরকার।